পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির মন্ত্রিসভায় আরও ৩৫ মন্ত্রীর শপথ
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সোমবার (১ জুন) পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথ নিলেন আরও ৩৫ জন মন্ত্রী। এদিন কলকাতার লোকভবনে মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠিত হয়। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল আর এন রবি শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার ৩৫ জন সদস্যকে শপথ বাক্য পাঠ করান। শপথ বাক্য পাঠের আগে বন্দে মাতরম ছাড়াও ভারতের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়। শপথ গ্রহণকে ঘিরে কলকাতার লোকভবন চত্বরে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছিল। এদিন সকাল থেকেই সেখানে ভিড় জমাতে শুরু করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। উৎসবমুখর পরিবেশে শপথ নিতে আসা অধিকাংশ বিধায়কই খাঁটি বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য মেনে ধুতি-পাঞ্জাবির সাজে এসেছিলেন। অনেক বিধায়ক এই ঐতিহ্য মুহূর্তের সাক্ষী রাখতে নিজেদের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে হাজির হন কলকাতার লোক ভবনে। অনুষ্ঠান মঞ্চে দাঁড়িয়ে রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব মনোজ আগারওয়াল এক এক করে বিজেপি সরকারের নতুন মন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেন এবং রাজ্যপাল আর এন রবি তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান। ১৩ জন পূর্ণ মন্ত্রী, ৩ জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং ১৯ জন প্রতিমন্ত্রীর শপথ বাক্য পাঠ করেন। ১৩ জন পূর্ণমন্ত্রী হলেন, তাপস রায়, অর্জুন সিং, দ
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সোমবার (১ জুন) পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভায় শপথ নিলেন আরও ৩৫ জন মন্ত্রী। এদিন কলকাতার লোকভবনে মন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠিত হয়। পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল আর এন রবি শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভার ৩৫ জন সদস্যকে শপথ বাক্য পাঠ করান। শপথ বাক্য পাঠের আগে বন্দে মাতরম ছাড়াও ভারতের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়।
শপথ গ্রহণকে ঘিরে কলকাতার লোকভবন চত্বরে উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছিল। এদিন সকাল থেকেই সেখানে ভিড় জমাতে শুরু করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।
উৎসবমুখর পরিবেশে শপথ নিতে আসা অধিকাংশ বিধায়কই খাঁটি বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্য মেনে ধুতি-পাঞ্জাবির সাজে এসেছিলেন। অনেক বিধায়ক এই ঐতিহ্য মুহূর্তের সাক্ষী রাখতে নিজেদের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে হাজির হন কলকাতার লোক ভবনে।
অনুষ্ঠান মঞ্চে দাঁড়িয়ে রাজ্যের নতুন মুখ্যসচিব মনোজ আগারওয়াল এক এক করে বিজেপি সরকারের নতুন মন্ত্রীর নাম ঘোষণা করেন এবং রাজ্যপাল আর এন রবি তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান। ১৩ জন পূর্ণ মন্ত্রী, ৩ জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং ১৯ জন প্রতিমন্ত্রীর শপথ বাক্য পাঠ করেন।
১৩ জন পূর্ণমন্ত্রী হলেন, তাপস রায়, অর্জুন সিং, দীপক বর্মন, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, কল্যাণ চক্রবর্তী, স্বপন দাশগুপ্ত, শ্বরদ্বত মুখোপাধ্যায়, দুধকুমার মন্ডল, অজয় কুমার পোদ্দার, শংকর ঘোষ, অরূপ কুমার দাস, মনোজ কুমার ওরাও এবং গৌরীশংকর ঘোষ।
তিনজন দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাধীন প্রতিমন্ত্রী হলেন, ইন্দ্রনীল খাঁ, মালতি রাভা রায় এবং রাজেশ মাহাতো। ১৯ জন প্রতিমন্ত্রী হলেন, জুয়েল মুর্মু, অশোক দিন্দা, উমেশ রাই, কৌশিক চৌধুরী, কলিতা মাঝি, মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র, গার্গী ঘোষ দাস, দীপঙ্কর জানা, পূর্ণিমা চক্রবর্তী, হরেকৃষ্ণ বেরা, আনন্দময় বর্মন, শান্তনু প্রামানিক, অমিয় কিস্কু, বিরাজ বিশ্বাস, ভাস্কর ভট্টাচার্য, দিবাকর ঘরামি, সুমনা সরকার,বিশাল লামা এবং নদের চাঁদ বাউড়ি।
অনেকেই এবার প্রথমবারের মতো বিজেপির বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তারাও শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছেন। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার খড়দহ বিধানসভা থেকে নির্বাচিত কল্যান চক্রবর্তী পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। পেশায় চিকিৎসক শ্বরদ্বত মুখোপাধ্যায়ও শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় ক্যাবিনেট মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন।
বীরভূমের দীর্ঘদিনের লড়াকু বিজেপি নেতা দুধকুমার মন্ডলকে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার নোয়াপাড়ার বিজেপির বিধায়ক বাহুবলী নেতা অর্জুন সিংকেও পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে অর্জুন সিং চারবারের বিধায়ক।
মন্ত্রিসভা ঘোষণার আগেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, রাজ্যের উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক গতি আরও বাড়াতে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে। তার এমন মন্তব্যের পরেই সোমবার রাজ্যের মন্ত্রিসভায় আরও ৩৫ মন্ত্রী শপথ নিলেন।
ডিডি/টিটিএন
What's Your Reaction?