পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকায় ৫ দিনের পাটপণ্য মেলা শুরু
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকার জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে ২৬টি স্টল নিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী বহুমুখী পাটপণ্য মেলা শুরু হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে এই মেলা। শেষ হবে ১৬ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) । রোববার (১২ এপ্রিল) ঢাকার জেলা প্রশাসক মো. রেজাউল করিম ফিতা কেটে এ মেলার উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে এ মেলায় সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, পাট আমাদের ঐতিহ্য। আমরা মনে করি পাট দিয়ে মাত্র দুই-একটা জিনিস তৈরি করা যায়। কিন্তু এখানে আসলে অবাক হয়ে দেখবেন যে পাট দিয়ে শতাধিক জিনি তৈরি করা যায়। এমনকি জিনিসগুলো এত সুন্দর বোঝাই যায় না এগুলো পাট দিয়ে তৈরি। পাটপণ্য নিয়ে যারা কাজ করছেন তাদের যে সৃষ্টিশীলতা সেটাকে আমাদের সাপোর্ট করতে হবে। তাহলে পাটের বাজার দেশে বিদেশি ছড়িয়ে যাবে। এছাড়া এসব পন্য যখন আমরা ব্যবহার করবো তখন পাটের বাজার আরও বিস্তৃত হবে। পুরান ঢাকাবাসীকে উদ্দেশ্য করে জেলা প্রশাসক বলেন,পুরান ঢাকার ঐতিহ্য সম্পর্কে সবাই জানে। কিন্তু এমন একটা মেলা প্রদর্শন করারত প্লাটফর্ম নেই। এখানে ওপেন স্পেসের ঘাটতি থাকায় আমরা চাইলেও অনেক ক্ষেত্রে বাঁধার সম্মুখীন হই। এবারের পহেলা বৈশাখে
পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঢাকার জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে ২৬টি স্টল নিয়ে পাঁচ দিনব্যাপী বহুমুখী পাটপণ্য মেলা শুরু হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত চলবে এই মেলা। শেষ হবে ১৬ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) ।
রোববার (১২ এপ্রিল) ঢাকার জেলা প্রশাসক মো. রেজাউল করিম ফিতা কেটে এ মেলার উদ্বোধন করেন।
উদ্বোধন শেষে এ মেলায় সবাইকে আমন্ত্রণ জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, পাট আমাদের ঐতিহ্য। আমরা মনে করি পাট দিয়ে মাত্র দুই-একটা জিনিস তৈরি করা যায়। কিন্তু এখানে আসলে অবাক হয়ে দেখবেন যে পাট দিয়ে শতাধিক জিনি তৈরি করা যায়। এমনকি জিনিসগুলো এত সুন্দর বোঝাই যায় না এগুলো পাট দিয়ে তৈরি। পাটপণ্য নিয়ে যারা কাজ করছেন তাদের যে সৃষ্টিশীলতা সেটাকে আমাদের সাপোর্ট করতে হবে। তাহলে পাটের বাজার দেশে বিদেশি ছড়িয়ে যাবে। এছাড়া এসব পন্য যখন আমরা ব্যবহার করবো তখন পাটের বাজার আরও বিস্তৃত হবে।
পুরান ঢাকাবাসীকে উদ্দেশ্য করে জেলা প্রশাসক বলেন,পুরান ঢাকার ঐতিহ্য সম্পর্কে সবাই জানে। কিন্তু এমন একটা মেলা প্রদর্শন করারত প্লাটফর্ম নেই। এখানে ওপেন স্পেসের ঘাটতি থাকায় আমরা চাইলেও অনেক ক্ষেত্রে বাঁধার সম্মুখীন হই। এবারের পহেলা বৈশাখে আমরা পুরান ঢাকায় একটু ব্যতিক্রমী চিত্র তুলে ধরতে চাই। পহেলা বৈশাখের দিন আমাদের বর্ণাঢ্য র্যালি আছে সেখানে আমরা পুরান ঢাকার ঐতিহ্য তুলে ধরতে চাই। যেন এখানকার মানুষ সেদিন এসে উদযাপন করতে পারে।
মেলার উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে ঢাকার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল ওয়ারেছ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (এল.এ) লিটুস লরেন্স চিরান, ভূমি অধিগ্রহণ কর্মকর্তা মো. আ. হালিম ও জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারের (জেডিপিসি) তত্ত্বাবধান ও সম্প্রসারণ নির্বাহী মো. মোজাহিদুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
What's Your Reaction?