পাঁচ সন্তান জন্ম দিয়েও চারজনকে হারালেন মা, বাঁচল শুধু একটি প্রাণ

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে পাঁচ নবজাতকের জন্ম দিয়েছেন এক মা। তবে নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই, প্রায় সাড়ে ছয় মাসের গর্ভাবস্থায় সন্তানগুলোর জন্ম হওয়ায় জটিলতা দেখা দেয়। জন্মের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাঁচ নবজাতকের মধ্যে চারজন মারা যায়। বর্তমানে একটি ছেলে শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেল ৫টা ২০ মিনিট থেকে ৫টা ৫০ মিনিটের মধ্যে হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে অস্ত্রোপচার ছাড়াই পাঁচটি শিশুর জন্ম হয়। নবজাতকদের মধ্যে তিনজন ছেলে ও দুইজন মেয়ে ছিল। শিশুগুলোর বাবা মাহামুদুল হাসান ডলার (৩০)। তিনি ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের ভবুকদিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং সিঙ্গাপুরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর আগে চাঁদনী বেগমের (২২) সঙ্গে মাহামুদুল হাসান ডলারের বিয়ে হয়। কিছুদিন পর চাঁদনী অন্তঃসত্ত্বা হলে চিকিৎসকদের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, তার গর্ভে একসঙ্গে পাঁচটি সন্তান রয়েছে। হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডের জ্যেষ্ঠ নার্স মিনতি সরকার জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে প্রসূতিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে প্রথম স

পাঁচ সন্তান জন্ম দিয়েও চারজনকে হারালেন মা, বাঁচল শুধু একটি প্রাণ

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একসঙ্গে পাঁচ নবজাতকের জন্ম দিয়েছেন এক মা। তবে নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই, প্রায় সাড়ে ছয় মাসের গর্ভাবস্থায় সন্তানগুলোর জন্ম হওয়ায় জটিলতা দেখা দেয়। জন্মের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাঁচ নবজাতকের মধ্যে চারজন মারা যায়। বর্তমানে একটি ছেলে শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেল ৫টা ২০ মিনিট থেকে ৫টা ৫০ মিনিটের মধ্যে হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডে অস্ত্রোপচার ছাড়াই পাঁচটি শিশুর জন্ম হয়। নবজাতকদের মধ্যে তিনজন ছেলে ও দুইজন মেয়ে ছিল।

শিশুগুলোর বাবা মাহামুদুল হাসান ডলার (৩০)। তিনি ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের ভবুকদিয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং সিঙ্গাপুরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর আগে চাঁদনী বেগমের (২২) সঙ্গে মাহামুদুল হাসান ডলারের বিয়ে হয়। কিছুদিন পর চাঁদনী অন্তঃসত্ত্বা হলে চিকিৎসকদের মাধ্যমে তারা জানতে পারেন, তার গর্ভে একসঙ্গে পাঁচটি সন্তান রয়েছে।

হাসপাতালের লেবার ওয়ার্ডের জ্যেষ্ঠ নার্স মিনতি সরকার জানান, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে প্রসূতিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৫টা ২০ মিনিটে প্রথম সন্তান এবং পরবর্তী ৩০ মিনিটের মধ্যে আরও চারটি সন্তানের জন্ম হয়।

তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের আগেই জন্ম নেওয়ায় নবজাতকদের প্রত্যেকের ওজন ছিল মাত্র ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রামের মধ্যে।

নবজাতক ও শিশু ওয়ার্ডের শিক্ষানবিশ চিকিৎসক প্রীতিরাজ পাল চৌধুরী জানান, হাসপাতালে আনার পর পাঁচটি শিশুই জীবিত ছিল। তবে এত কম ওজনের নবজাতকদের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (এনআইসিইউ) প্রয়োজন হয়। হাসপাতালের পর্যাপ্ত এনআইসিইউ সুবিধা না থাকায় তাদের ঢাকায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেওয়া হলেও পরিবারের সদস্যরা তা করেননি।

শুক্রবার সকালে হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স রিয়া বিশ্বাস জানান, রাতের বিভিন্ন সময়ে চার নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ ভোররাতে একটি ছেলে শিশুর মৃত্যু হয়। বর্তমানে একটি ছেলে শিশু হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে অক্সিজেন সহায়তায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow