পাওয়ারপ্লেতেই সিলেটের সর্বনাশ হচ্ছে, বলছেন নাসুম
চলতি বিপিএলে কোনো ম্যাচেই পাওয়ার প্লে কাজে লাগাতে পারেনি সিলেট টাইটান্স। ৫ ম্যাচ খেলে তারা হেরেছে ৩টিতেই। পাওয়ার প্লে কাজে লাগাতে না পারাতেই এই ব্যর্থতা বলে মনে করেন সিলেটের বাঁ-হাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ। রোববার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে ১২৫ রান করে ৯ উইকেটে হেরেছে স্বাগতিকরা। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে হারের কারণ ব্যাখা করতে গিয়ে নাসুম বলেন, ‘আমরা পাওয়ার প্লে ভালোভাবে ইউজ করতে পারি নাই। অনেকগুলা উইকেট হারিয়েছি, আর ওইটা আমরা ওভারকাম করতে পারিনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘ওমরজাই আর পারভেজ খেলাটা ধরছিল; কিন্তু রান করার সময় আনফরচুনেটলি আউট হয়ে গেছে।’ অবশ্য এই টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত খেলা ৫ ম্যাচেই পাওয়ার প্লেতে ভুগছে সিলেট। অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ টানা ৪ ম্যাচে টপ অর্ডারে নেমে ব্যর্থ হয়েছেন। এখন পর্যন্ত এই আসরে সিলেট পাওয়ার প্লেতে সর্বোচ্চ ৪৫ রান তুলেছে প্রথম ম্যাচে। এরপর বাকি ৪ ম্যাচের কোনো ম্যাচে ৪০ ও হয়নি। ফলে নাসুমের দাবির সত্যতাও রয়েছে। নতুন বলের ব্যাটিং ও উইকেট কন্ডিশন নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও অজুহাত দিতে নারাজ এই স্পিনার। নাসুমের ভাষায়, ‘এটা অজুহাত দেব না আ
চলতি বিপিএলে কোনো ম্যাচেই পাওয়ার প্লে কাজে লাগাতে পারেনি সিলেট টাইটান্স। ৫ ম্যাচ খেলে তারা হেরেছে ৩টিতেই। পাওয়ার প্লে কাজে লাগাতে না পারাতেই এই ব্যর্থতা বলে মনে করেন সিলেটের বাঁ-হাতি স্পিনার নাসুম আহমেদ।
রোববার সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে চট্টগ্রাম রয়্যালসের বিপক্ষে ১২৫ রান করে ৯ উইকেটে হেরেছে স্বাগতিকরা। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে হারের কারণ ব্যাখা করতে গিয়ে নাসুম বলেন, ‘আমরা পাওয়ার প্লে ভালোভাবে ইউজ করতে পারি নাই। অনেকগুলা উইকেট হারিয়েছি, আর ওইটা আমরা ওভারকাম করতে পারিনি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ওমরজাই আর পারভেজ খেলাটা ধরছিল; কিন্তু রান করার সময় আনফরচুনেটলি আউট হয়ে গেছে।’
অবশ্য এই টুর্নামেন্টে এখন পর্যন্ত খেলা ৫ ম্যাচেই পাওয়ার প্লেতে ভুগছে সিলেট। অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ টানা ৪ ম্যাচে টপ অর্ডারে নেমে ব্যর্থ হয়েছেন। এখন পর্যন্ত এই আসরে সিলেট পাওয়ার প্লেতে সর্বোচ্চ ৪৫ রান তুলেছে প্রথম ম্যাচে। এরপর বাকি ৪ ম্যাচের কোনো ম্যাচে ৪০ ও হয়নি। ফলে নাসুমের দাবির সত্যতাও রয়েছে।
নতুন বলের ব্যাটিং ও উইকেট কন্ডিশন নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও অজুহাত দিতে নারাজ এই স্পিনার। নাসুমের ভাষায়, ‘এটা অজুহাত দেব না আমি। প্রফেশনাল প্লেয়ার হিসেবে আগে ব্যাটিং হোক আর বোলিং হোক, আমাকে খেলতেই হবে। সব কন্ডিশনে মানায় নিতে হবে।’
বোলিং পারফরম্যান্স নিয়েও আত্মসমালোচনা করেন তিনি। নাসুম বলেন, ‘বিশ ওভারের মধ্যে দুই-তিনটা ওভারে বড় রান হয়ে যাচ্ছে। এখান থেকেই খেলা হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে।’
এসকেডি/আইএইচএস
What's Your Reaction?