পাকিস্তানি ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হওয়ার গুঞ্জনে আলিয়া ভাট

সোশাল মিডিয়ায় ঝড় তুললেন বলিউড সুন্দরী আলিয়া ভাট। তবে এই আলিয়াকে দেখে চেনা বড় দায়। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ছবিতে তার পরনে ছিল পাকিস্তানের নামী ব্র্যান্ডের বাহারি সালোয়ার-কামিজ এবং কারুকাজ খচিত ওড়না,  দেখে মনে হবে যেন সীমান্তের ওপারের কোনো রাজকীয় বংশের শাহজাদী তিনি। এই ছবিগুলো ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হতেই নেটপাড়ায় শোরগোল পড়ে যায়, তবে কি রণবীর ঘরনি এবার ভারতের গণ্ডি পেরিয়ে পাকিস্তানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন? ভক্তদের চোখে যখন বিস্ময় আর উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে, তখনই সামনে এলো এক বিস্ফোরক সত্য। যা দেখছেন তা আলিয়া হলেও,বাস্তবের আলিয়া নন। বরং এ এক অদ্ভুত মায়াজাল, ‘এআই’ এর নিখুঁত কারসাজি। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, পাকিস্তানের বিজ্ঞাপনে ব্যবহার হওয়া আলিয়ার ছবিগুলো এতটাই নিখুঁত ছিল যে সাধারণ চোখে সেগুলিকে এআই  বলে চেনার উপায় ছিল না। কিন্তু নেটিজেনরা অল্প সময়ের মধ্যেই রহস্যের সমাধান করেন। দেখা যায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে অন্য একজন মডেলের শরীরে আলিয়ার মুখ বসিয়ে দেওয়া হয়েছে।  বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই গর্জে ওঠেন ভক্তরা। তাঁদের স্পষ্ট দাবি, কোনও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড এভাবে একজ

পাকিস্তানি ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হওয়ার গুঞ্জনে আলিয়া ভাট

সোশাল মিডিয়ায় ঝড় তুললেন বলিউড সুন্দরী আলিয়া ভাট। তবে এই আলিয়াকে দেখে চেনা বড় দায়। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত ছবিতে তার পরনে ছিল পাকিস্তানের নামী ব্র্যান্ডের বাহারি সালোয়ার-কামিজ এবং কারুকাজ খচিত ওড়না,  দেখে মনে হবে যেন সীমান্তের ওপারের কোনো রাজকীয় বংশের শাহজাদী তিনি। এই ছবিগুলো ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হতেই নেটপাড়ায় শোরগোল পড়ে যায়, তবে কি রণবীর ঘরনি এবার ভারতের গণ্ডি পেরিয়ে পাকিস্তানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন?

ভক্তদের চোখে যখন বিস্ময় আর উত্তেজনার পারদ তুঙ্গে, তখনই সামনে এলো এক বিস্ফোরক সত্য। যা দেখছেন তা আলিয়া হলেও,বাস্তবের আলিয়া নন। বরং এ এক অদ্ভুত মায়াজাল, ‘এআই’ এর নিখুঁত কারসাজি।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, পাকিস্তানের বিজ্ঞাপনে ব্যবহার হওয়া আলিয়ার ছবিগুলো এতটাই নিখুঁত ছিল যে সাধারণ চোখে সেগুলিকে এআই  বলে চেনার উপায় ছিল না। কিন্তু নেটিজেনরা অল্প সময়ের মধ্যেই রহস্যের সমাধান করেন। দেখা যায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে অন্য একজন মডেলের শরীরে আলিয়ার মুখ বসিয়ে দেওয়া হয়েছে। 
বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই গর্জে ওঠেন ভক্তরা। তাঁদের স্পষ্ট দাবি, কোনও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড এভাবে একজন প্রথম সারির অভিনেত্রীর অনুমতি ছাড়া তাঁর ছবি বাণিজ্যিক স্বার্থে ব্যবহার করতে পারে না। 

আলিয়া ভক্তদের অনেকে তো আগাম সতর্কতা দিয়ে লিখেছেন, ‘আলিয়া যদি এটি জানতে পারেন, তবে ওই সংস্থার বিরুদ্ধে কড়া আইনি পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।‘

যদিও এই বিতর্কের মাঝেই একদল অনুরাগী আবার প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, এআই-এর মাধ্যমে তৈরি এই ছবিগুলোতে আলিয়াকে এতই সুন্দর দেখাচ্ছে যে অভিনেত্রী নিজেও হয়তো খুশি হবেন। 
তবে এর বিপরীতে অধিকাংশের যুক্তি হল সৃজনশীলতা বা সৌন্দর্য যাই থাকুক না কেন, পেশাদারিত্ব ও ব্যক্তি-অধিকার লঙ্ঘনের বিষয়টি এখানে সবথেকে বড় অপরাধ। 

উল্লেখ্য, এর আগেও এআই বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন বলিউড অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন, ঐশ্বর্য রাই বচ্চন, অভিষেক বচ্চন থেকে শুরু করে কার্তিক আরিয়ান। তবে তাদের প্রত্যেকেই ‘পারসোনালিটি রাইটস’ সংরক্ষণ করেছেন। এর ফলে তাদের ডিজিটাল অবয়ব বা কণ্ঠ বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে কেউ বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করতে পারবে না।
তবে এখন দেখার পালা এ বিষয়ে আলিয়া কি পদক্ষেপ নেন। 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow