পাঠদান বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের দিয়ে ইট বহন করালেন শিক্ষিকা

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের দিয়ে শিক্ষকের বাড়িতে ইট বহনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে উপজেলার কৈলাটী ইউনিয়নের বেনুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহনাজ বেগমের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ ওঠে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ক্লাস চলাকালীন ১৫-২০ জন শিক্ষার্থীকে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেন ওই শিক্ষক। স্কুল ড্রেস পরা শিক্ষার্থীদের দিয়ে তার বাড়িতে ইট বহনের কাজ করানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার পর অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। অভিযুক্ত শাহনাজ বেগম উপজেলার বেনুয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং একই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলীম উদ্দিনের স্ত্রী। স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও ধান কাটা মৌসুমে শিক্ষার্থীদের দিয়ে ধান ও খড় শুকানোর কাজ করানো হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব ঘটনা নিয়ে আলোচনা হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেছেন কয়েকজন অভিভাবক। অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে শাহনাজ বেগমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আলীম উদ্দিন বলেন, ‌‘আমি একটি

পাঠদান বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের দিয়ে ইট বহন করালেন শিক্ষিকা

নেত্রকোনার কলমাকান্দায় পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের দিয়ে শিক্ষকের বাড়িতে ইট বহনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে উপজেলার কৈলাটী ইউনিয়নের বেনুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহনাজ বেগমের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ ওঠে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ক্লাস চলাকালীন ১৫-২০ জন শিক্ষার্থীকে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেন ওই শিক্ষক। স্কুল ড্রেস পরা শিক্ষার্থীদের দিয়ে তার বাড়িতে ইট বহনের কাজ করানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার পর অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

অভিযুক্ত শাহনাজ বেগম উপজেলার বেনুয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং একই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলীম উদ্দিনের স্ত্রী।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও ধান কাটা মৌসুমে শিক্ষার্থীদের দিয়ে ধান ও খড় শুকানোর কাজ করানো হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব ঘটনা নিয়ে আলোচনা হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেছেন কয়েকজন অভিভাবক।

অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে শাহনাজ বেগমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক আলীম উদ্দিন বলেন, ‌‘আমি একটি কাজে উপজেলা সদরে গিয়েছিলাম। বিষয়টির খোঁজ নিয়ে ঘটনার সত্যতা যাচাই করার চেষ্টা করছি।’

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোশাররফ হোসেন খান বলেন, ‘এ ধরনের একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এইচ এম কামাল/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow