পানিতে ডুবে কলেজশিক্ষার্থী ও শিশুর মৃত্যু
নরসিংদীর পলাশ ও মাধবদীতে পৃথক দুই স্থানে পানিতে ডুবে কলেজ শিক্ষার্থী ও শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে পৃথক স্থানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।
তারা হলেন- পলাশ উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের জয়পুরা গ্রামের ইউসূফ মোল্লার ছেলে ইয়াছির ইবনে সিহাব (১৯)। তিনি নরসিংদী আইডিয়াল কলেজের একাদশ শ্রেণির প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল। অন্যদিকে মোসা. মেঘলা আক্তার (১২) মাধবদী উপজেলার কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের ফজুরকান্দি কান্দাপাড়া এলাকার মো. শাহ আলম মোল্লার মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে ইয়াছির ইবনে সিহাব তার এলাকার কয়েকজন ছোট ভাইকে নিয়ে জয়পুরা গ্রামের একটি বিলে গোসল করতে নামে। গোসলের এক পর্যায়ে সে বিলের গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। পরে তার সঙ্গে থাকা ছেলেরা পাড়ে উঠে আশপাশের লোকজনকে বিষয়টি জানায়। স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন দিলে খবর পেয়ে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর বিকেলে বিলের গভীর পানি থেকে সিহাবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এদিকে একই দিন দুপুরে মাধবদী উপজেল
নরসিংদীর পলাশ ও মাধবদীতে পৃথক দুই স্থানে পানিতে ডুবে কলেজ শিক্ষার্থী ও শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৮ মার্চ) বিকেলে পৃথক স্থানে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান চালিয়ে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।
তারা হলেন- পলাশ উপজেলার গজারিয়া ইউনিয়নের জয়পুরা গ্রামের ইউসূফ মোল্লার ছেলে ইয়াছির ইবনে সিহাব (১৯)। তিনি নরসিংদী আইডিয়াল কলেজের একাদশ শ্রেণির প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিল। অন্যদিকে মোসা. মেঘলা আক্তার (১২) মাধবদী উপজেলার কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের ফজুরকান্দি কান্দাপাড়া এলাকার মো. শাহ আলম মোল্লার মেয়ে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার দুপুরে ইয়াছির ইবনে সিহাব তার এলাকার কয়েকজন ছোট ভাইকে নিয়ে জয়পুরা গ্রামের একটি বিলে গোসল করতে নামে। গোসলের এক পর্যায়ে সে বিলের গভীর পানিতে তলিয়ে যায়। পরে তার সঙ্গে থাকা ছেলেরা পাড়ে উঠে আশপাশের লোকজনকে বিষয়টি জানায়। স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন দিলে খবর পেয়ে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর বিকেলে বিলের গভীর পানি থেকে সিহাবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এদিকে একই দিন দুপুরে মাধবদী উপজেলার কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের ফজুরকান্দি কান্দাপাড়া এলাকায় মেঘলা আক্তার তার তিন বান্ধবীকে নিয়ে স্থানীয় একটি পুকুরের পাড়ে ভিডিও (টিকটক) ধারণ করতে যায়। এ সময় অসাবধানতাবশত তার পা পিছলে পুকুরে পড়ে যায়। স্থানীয়ভাবে ‘বালুর পুকুর’ নামে পরিচিত ওই পুকুরটির গভীরতা প্রায় ২০ ফুট বলে জানা গেছে।
ঘটনার পর স্থানীয়রা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দিলে মাধবদী ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে পুকুরের গভীর পানি থেকে মেঘলার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয়দের উপস্থিতিতে মরদেহ তার খালার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মাধবদী ফায়ার স্টেশনের স্টেশন অফিসার মো. রায়হান বলেন, ৯৯৯ এ খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করে পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার করি। প্রাথমিকভাবে টিকটক করতে গিয়ে পা পিছলে পড়ে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানতে পেরেছি। পরে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
পলাশ থানার ওসি শাহেদ আল মামুন বলেন, সিহাবের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের তথ্যমতে, গভীর পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।