পাবনা-১ ও ২ আসনে আগের সীমানা পুনর্বহাল

পাবনা-১ ও ২ সংসদীয় আসনে আগের সীমানা পুনর্বহাল করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) গত ২৪ ডিসেম্বরের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির অংশটুকু স্থগিত করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল দায়ের পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ইসি ও এক প্রার্থীর আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার (৫ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে এদিন মোহাম্মদ নাজিব মোমেনের পক্ষে শুনানিতে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার ইমরান এ সিদ্দিক এবং ইসির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ বি এম ইমদাদুল হক খান। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাস করে গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে। সেখানে সাঁথিয়া উপজেলার পুরো অংশ নিয়ে পাবনা-১ আসন এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলার সমন্বয়ে পাবনা-২ আসন চূড়ান্ত করা হয়। ইসির ওই গেজেটের এই দুটি আসনসংক্রান্ত অংশের বৈধতা নিয়ে বেড়া উপজেলার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম এবং সাঁথিয়া উপজেলার বাসিন্দা আবু সাঈদ হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের

পাবনা-১ ও ২ আসনে আগের সীমানা পুনর্বহাল

পাবনা-১ ও ২ সংসদীয় আসনে আগের সীমানা পুনর্বহাল করে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) গত ২৪ ডিসেম্বরের সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির অংশটুকু স্থগিত করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল দায়ের পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে ইসি ও এক প্রার্থীর আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার (৫ ডিসেম্বর) প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে এদিন মোহাম্মদ নাজিব মোমেনের পক্ষে শুনানিতে আইনজীবী ছিলেন ব্যারিস্টার ইমরান এ সিদ্দিক এবং ইসির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এ বি এম ইমদাদুল হক খান।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাস করে গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে। সেখানে সাঁথিয়া উপজেলার পুরো অংশ নিয়ে পাবনা-১ আসন এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলার সমন্বয়ে পাবনা-২ আসন চূড়ান্ত করা হয়।

ইসির ওই গেজেটের এই দুটি আসনসংক্রান্ত অংশের বৈধতা নিয়ে বেড়া উপজেলার বাসিন্দা জহিরুল ইসলাম এবং সাঁথিয়া উপজেলার বাসিন্দা আবু সাঈদ হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট রুল জারি করে। চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট রুল যথাযথ (অ্যাবসলিউট) ঘোষণা করে গত ১৮ ডিসেম্বর রায় ঘোষণা করে।

তাতে পাবনা-১ আসন থেকে বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পৌরসভা বাদ দিয়ে পাবনা-২ আসনের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া সংক্রান্ত ইসির গেজেটের অংশটুকু আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে পাবনার সংসদীয় আসন দুটি আগের মতো পুনর্বহাল করে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গেজেট প্রকাশ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

এরপর গত ২৪ ডিসেম্বর পাবনার আসন দুটি নিয়ে সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ইসি। তাতে আগের মতোই পুরো সাঁথিয়া উপজেলা এবং বেড়া পৌরসভা ও বেড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়ন (হাটুরিয়া নাকালিয়া, নতুন ভারেংগা, চাকলা ও কৈটোলা ইউনিয়ন) নিয়ে পাবনা-১ আসন গঠিত হয়। এছাড়া পাবনা-২ আসনও বেড়া উপজেলার বাকি পাঁচটি ইউনিয়ন এবং পুরো সুজানগর উপজেলা নিয়ে গঠিত হয়।

হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে পাবনা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান (নাজিব মোমেন) ও নির্বাচন কমিশন পৃথক আবেদন করে। আবেদন দুটি গত ২৩ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের চেম্বার জজ আদালতে শুনানির জন্য ওঠে। সেদিন আদালত আবেদন দুটি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন। আজ সোমবার আবেদনটি আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় শুনানির জন্য আসে।

আদেশের বিষয়ে ইমরান এ সিদ্দিক সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্টের রায়ের পরিপ্রেক্ষিতে পাবনা-১ ও পাবনা-২ সংসদীয় আসন আগের মতো পুনর্বহাল করে গত ২৪ ডিসেম্বর ইসির প্রকাশিত সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির অংশটুকু স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করা পর্যন্ত সময়ের জন্য বিজ্ঞপ্তির অংশটুকু স্থগিত করেছেন আদালত। ফলে আসন দুটির ক্ষেত্রে ইসির গত ৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত চূড়ান্ত গেজেট বহাল থাকল। অর্থাৎ, সাঁথিয়া উপজেলা এককভাবে নিয়ে পাবনা-১ আসন এবং সুজানগর ও বেড়া উপজেলা নিয়ে পাবনা-২ আসন হিসেবে বহাল থাকবে।

এফএইচ/এমএমকে

 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow