পাবনায় আবু সাইয়িদের পক্ষে যাচাই-বাছাইয়ে গিয়ে গ্রেপ্তার ২ আ.লীগ নেতা
সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী পাবনা-১ (সাঁথিয়া-বেড়ার একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক আবু সাইয়িদের পক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের অংশ নেওয়ার পর দুই আওয়ামী লীগ নেতা ও শ্রমিক লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বের হওয়ার সময় পাবনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সাঁথিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম প্রামাণিক এবং সাঁথিয়া পৌর শ্রমিক লীগের সভাপতি শাহীন হোসেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে পাবনা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রাশিদুল ইসলাম জানান, সাঁথিয়া থানার একটি মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে। উল্লেখ্য, অধ্যাপক আবু সাইয়িদ ৭২'র সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য। তিনি শেখ মুজিবুর রহমান নেতৃত্বধীন বাকশালের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং পরে শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ছিলেন। ১৯৯৬ সালে পাবনা-১ আসন থেকে নির্বাচ
সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী পাবনা-১ (সাঁথিয়া-বেড়ার একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক আবু সাইয়িদের পক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের অংশ নেওয়ার পর দুই আওয়ামী লীগ নেতা ও শ্রমিক লীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বের হওয়ার সময় পাবনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- সাঁথিয়া পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম প্রামাণিক এবং সাঁথিয়া পৌর শ্রমিক লীগের সভাপতি শাহীন হোসেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পাবনা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি রাশিদুল ইসলাম জানান, সাঁথিয়া থানার একটি মামলায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
উল্লেখ্য, অধ্যাপক আবু সাইয়িদ ৭২'র সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য। তিনি শেখ মুজিবুর রহমান নেতৃত্বধীন বাকশালের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং পরে শেখ হাসিনা নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ছিলেন।
১৯৯৬ সালে পাবনা-১ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। পরে ১/১১ এর সময় সংস্কারপন্থী হিসেবে বহিষ্কার হন। পরে ২০১৪, ১৮ এবং ২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনেও অংশগ্রহণ করে পরাজিত হন।
গণফোরামে যোগ দিয়ে ২০১৮ সালে বিএনপির ধানের শীষের প্রার্থী হলেও ২০১৪ ও ২০২৪ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।
What's Your Reaction?