পাবনায় অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার ৩

পাবনার ঈশ্বরদীতে পৃথক দুটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পাবনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প সংলগ্ন ওয়াসা প্রজেক্টের গেস্ট হাউজের পাশের একটি টিনশেড স্টোররুমে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলার চিংড়াখালী গ্রামের কামালের ছেলে শাহীন (২০) ও ঈশ্বরদীর দিয়ার বাঘইল গ্রামের হযরত প্রামাণিককে (৪৭) গ্রেফতার করা হয়। অভিযানে তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি সচল সেমি-অটোমেটিক সেলফ লোডেড রাইফেল (এসএলআর) লোডেড ম্যাগাজিনসহ ৬৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, একটি বিদেশি ২২ বোর রাইফেল ম্যাগাজিন ও কার্তুজসহ এবং একটি কাঠের বাটযুক্ত একনলা বন্দুক উদ্ধার করা হয়। পরে গ্রেফতারদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ঈশ্বরদীর মানিকনগর পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাদশা মিয়ার ছেলে মমিনুল ইসলাম খোকনকে (৩৩) গ্রেফতার করা হয়। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একটি পরিত্যক্ত পানির ট্যাংকির ভেতর থেকে একটি

পাবনায় অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেফতার ৩

পাবনার ঈশ্বরদীতে পৃথক দুটি অভিযানে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পাবনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার আনোয়ার জাহিদ এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প সংলগ্ন ওয়াসা প্রজেক্টের গেস্ট হাউজের পাশের একটি টিনশেড স্টোররুমে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলার চিংড়াখালী গ্রামের কামালের ছেলে শাহীন (২০) ও ঈশ্বরদীর দিয়ার বাঘইল গ্রামের হযরত প্রামাণিককে (৪৭) গ্রেফতার করা হয়।

অভিযানে তাদের কাছ থেকে একটি বিদেশি সচল সেমি-অটোমেটিক সেলফ লোডেড রাইফেল (এসএলআর) লোডেড ম্যাগাজিনসহ ৬৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, একটি বিদেশি ২২ বোর রাইফেল ম্যাগাজিন ও কার্তুজসহ এবং একটি কাঠের বাটযুক্ত একনলা বন্দুক উদ্ধার করা হয়।

পরে গ্রেফতারদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে ঈশ্বরদীর মানিকনগর পশ্চিমপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে বাদশা মিয়ার ছেলে মমিনুল ইসলাম খোকনকে (৩৩) গ্রেফতার করা হয়।

তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী একটি পরিত্যক্ত পানির ট্যাংকির ভেতর থেকে একটি সচল ৯ এমএম পিস্তল, ৬ রাউন্ড কার্তুজ, একটি সচল ৭.৬৫ এমএম পিস্তল, ১০ রাউন্ড কার্তুজ এবং ৩১ রাউন্ড ১২ বোরের তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। গ্রেফতারদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সুপার জানান, কয়েকদিন ধরে গোয়েন্দা নজরদারির পর এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, গ্রেফতাররা ভাড়াটে সন্ত্রাসী হিসেবে কাজ করতেন। এ ঘটনার নেপথ্যে জড়িত অন্যদেরও চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।

শেখ মহসীন/আরএইচ/এমএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow