পাবনায় ৫৪৯ বোতল ফেনসিডিলসহ কারবারি আটক
পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ৫৪৯ বোতল ফেনসিডিলসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কারও জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যায় ফরিদপুর থানাধীন গোডাউন মোড় এলাকায় বিশেষ চেকপোস্ট পরিচালনার সময় এ অভিযান চালানো হয়। পরে রাতে পাবনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরেন পুলিশ সুপার ছুফি উল্লাহ।
আটক ব্যক্তি মো. মিরাজুল ইসলাম (২৮)। তিনি চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলী গ্রামের ইয়াসিন আলীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, মাদক পাচার ঠেকাতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গোডাউন মোড়ে চেকপোস্ট বসানো হয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে একটি সিলভার রঙের প্রাইভেটকারকে থামার সংকেত দেয় পুলিশ। পরে গাড়িটি তল্লাশি করে পেছনের ডালার ভেতর রাখা তিনটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার করা হয়। বস্তাগুলো খুলে পলিথিন ও নেটের ব্যাগে মোড়ানো অবস্থায় ৫৪৯ বোতল ফেনসিডিল পাওয়া যায়।
ঘটনাস্থল থেকেই প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয় এবং গাড়ির চালক মিরাজুল ইসলামকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তিনি নিজেই গাড়িটি চালিয়ে মাদক বহন করছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সু
পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ৫৪৯ বোতল ফেনসিডিলসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কারও জব্দ করা হয়।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সন্ধ্যায় ফরিদপুর থানাধীন গোডাউন মোড় এলাকায় বিশেষ চেকপোস্ট পরিচালনার সময় এ অভিযান চালানো হয়। পরে রাতে পাবনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরেন পুলিশ সুপার ছুফি উল্লাহ।
আটক ব্যক্তি মো. মিরাজুল ইসলাম (২৮)। তিনি চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার উথলী গ্রামের ইয়াসিন আলীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, মাদক পাচার ঠেকাতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গোডাউন মোড়ে চেকপোস্ট বসানো হয়। সন্ধ্যা ৭টার দিকে একটি সিলভার রঙের প্রাইভেটকারকে থামার সংকেত দেয় পুলিশ। পরে গাড়িটি তল্লাশি করে পেছনের ডালার ভেতর রাখা তিনটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা উদ্ধার করা হয়। বস্তাগুলো খুলে পলিথিন ও নেটের ব্যাগে মোড়ানো অবস্থায় ৫৪৯ বোতল ফেনসিডিল পাওয়া যায়।
ঘটনাস্থল থেকেই প্রাইভেটকারটি জব্দ করা হয় এবং গাড়ির চালক মিরাজুল ইসলামকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তিনি নিজেই গাড়িটি চালিয়ে মাদক বহন করছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার ছুফি উল্লাহ বলেন, আটক মিরাজুল চুয়াডাঙ্গা থেকে কুষ্টিয়া হয়ে ঢাকার উদ্দেশে যাচ্ছিল। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও জানান, এই চালানের সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তি ও মাদক চক্রের সদস্যদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। পাবনায় মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।