পাম্পে তেল নেওয়ার সময় অগ্নিকাণ্ডে মোটরসাইকেল ভস্মীভূত

যশোরে পেট্রোল পাম্পে তেল নেওয়ার সময় অগ্নিকাণ্ডে একটি মোটরসাইকেল ভস্মীভূত হয়েছে। তবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে পাম্পটি। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শহরতলির ধর্মতলা এলাকার সোনালী ফিলিং স্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মোটরসাইকেল চালক আব্দুল মান্নান চৌগাছা উপজেলার সিংহঝুলি ইউনিয়নের জাহাঙ্গীরপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে। আব্দুল মান্নান জানান, তিনি ব্যক্তিগত কাজে যশোর শহরের ধর্মতলা এলাকায় আসেন। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সোনালী ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে যান। এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ৫০০ টাকার তেল নেওয়ার সময় হঠাৎ তেল ওভারফ্লো হয়ে ইঞ্জিনের ওপর গড়িয়ে পড়ে। এরপর ৪১০ টাকার তেল নিয়ে মোটরসাইকেলটি স্টার্ট দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইঞ্জিনে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। এসময় পাম্পে থাকা অন্য গ্রাহক ও স্থানীয়রা দ্রুত মোটরসাইকেলটি টেনে পাম্পের মূল অংশ থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা এসে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে মোটরসাইকেলটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার মাহফুজুর রহমান

পাম্পে তেল নেওয়ার সময় অগ্নিকাণ্ডে মোটরসাইকেল ভস্মীভূত

যশোরে পেট্রোল পাম্পে তেল নেওয়ার সময় অগ্নিকাণ্ডে একটি মোটরসাইকেল ভস্মীভূত হয়েছে। তবে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে পাম্পটি।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শহরতলির ধর্মতলা এলাকার সোনালী ফিলিং স্টেশনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী মোটরসাইকেল চালক আব্দুল মান্নান চৌগাছা উপজেলার সিংহঝুলি ইউনিয়নের জাহাঙ্গীরপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে।

আব্দুল মান্নান জানান, তিনি ব্যক্তিগত কাজে যশোর শহরের ধর্মতলা এলাকায় আসেন। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সোনালী ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে যান। এক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ৫০০ টাকার তেল নেওয়ার সময় হঠাৎ তেল ওভারফ্লো হয়ে ইঞ্জিনের ওপর গড়িয়ে পড়ে। এরপর ৪১০ টাকার তেল নিয়ে মোটরসাইকেলটি স্টার্ট দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইঞ্জিনে আগুন ধরে যায়।

মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। এসময় পাম্পে থাকা অন্য গ্রাহক ও স্থানীয়রা দ্রুত মোটরসাইকেলটি টেনে পাম্পের মূল অংশ থেকে দূরে সরিয়ে নিয়ে যান। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা এসে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে মোটরসাইকেলটি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

পেট্রোল পাম্পের ম্যানেজার মাহফুজুর রহমান আনিস বলেন, ‘আমরা প্রত্যেককে ৫০০ টাকার তেল দিচ্ছি। ওই গ্রাহকের মোটরসাইকেলে তেল ছিল। যে কারণে ৪১০ টাকার তেল যেতেই ট্যাংক ভরে তেল বাইরে পড়ে যায় এবং দুর্ঘটনা ঘটে।’

তিনি বলেন, ‘পাম্পে থাকা লোকজন দ্রুত মোটরসাইকেলটি সরিয়ে না নিলে বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড ঘটতে পারতো। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তেল দেওয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

মিলন রহমান/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow