পারিবারিক কলহের জেরে গলায় ফাঁস নিলেন নারী

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের কুসুমবাদ পুলিশ পার্ক এলাকার একটি বাসা থেকে মোছা. সোনিয়া আক্তার (২৯) নামের এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত নারী একটি সফটওয়্যার কোম্পানিতে চাকরি করতেন। রোববার (৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভোর সাড়ে ৪টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের স্বামী মো. ফুরকান জানান, আমার স্ত্রী সোনিয়া একটি সফটওয়্যার কোম্পানিতে চাকরি করতো। রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে অভিমান করে তার নিজ রুমে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে থাকে। পরে আমরা জানালার ফাঁকা দিয়ে দেখতে পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে আমার স্ত্রীকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। পড়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক আমার স্ত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন। জানা যায়, নিহত সোনিয়া আক্তার বরগুনা সদর জেলার হেলিগুনিয়া এলাকার দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে। বর্তমানে তিনি স্বামীসহ খিলগাঁও কুসুমবাগ পুলিশ পার্ক

পারিবারিক কলহের জেরে গলায় ফাঁস নিলেন নারী

রাজধানীর খিলগাঁওয়ের কুসুমবাদ পুলিশ পার্ক এলাকার একটি বাসা থেকে মোছা. সোনিয়া আক্তার (২৯) নামের এক নারীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত নারী একটি সফটওয়্যার কোম্পানিতে চাকরি করতেন।

রোববার (৫ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। পরে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ভোর সাড়ে ৪টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বামী মো. ফুরকান জানান, আমার স্ত্রী সোনিয়া একটি সফটওয়্যার কোম্পানিতে চাকরি করতো। রাতে পারিবারিক বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। পরে অভিমান করে তার নিজ রুমে গিয়ে দরজা লাগিয়ে দিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে থাকে। পরে আমরা জানালার ফাঁকা দিয়ে দেখতে পেয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে গিয়ে আমার স্ত্রীকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। পড়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে চিকিৎসক আমার স্ত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন।

জানা যায়, নিহত সোনিয়া আক্তার বরগুনা সদর জেলার হেলিগুনিয়া এলাকার দেলোয়ার হোসেনের মেয়ে। বর্তমানে তিনি স্বামীসহ খিলগাঁও কুসুমবাগ পুলিশ পার্কের পাশে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।

কাজী আল আমিন/এএমএ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow