পারিশ্রমিক না পেয়ে ক্রিকেটারদের ম্যাচ বয়কট, ওয়াকওভার দিলো ব্রাদার্স
ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক পরিশোধে গড়িমসি নিয়ে গেলো কয়েক বছরে একাধিকবার খবরের শিরোনাম হয়েছে ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাব। এবার যেন সবকিছুকেই ছাড়িয়ে গেলো তারা। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে শুক্রবার অগ্রনী ব্যাংকের বিপক্ষে ওয়াকওভার দিয়েছে ক্লাবটি। বেশ কয়েকটি সূত্রের মাধ্যমে জাগো নিউজ নিশ্চিত হয়েছে, পারিশ্রমিক না পাওয়াতে মাঠেই নামতে চায়নি ব্রাদার্স ইউনিয়নের ক্রিকেটাররা। যে কারণে ম্যাচটি ওয়াকওভার হয়ে যাওয়ায় জয় পেয়েছে অগ্রণী ব্যাংক। ব্রাদার্স ইউনিয়নের টিম ম্যানেজমেন্টের একটি সূত্র জানায় নবম রাউন্ড পর্যন্ত পারিশ্রমিক দেওয়ার বিষয়ে ক্রিকেটাররা সতর্ক করে আসছিল। কিন্তু শুক্রবার পারিশ্রিম তো দূরের কথা, ক্লাবের কেউ মাঠেই হাজির হননি। সূত্র জানায়, ‘আমাদেরকে ২০ শতাংশ পেমেন্ট সাইনিংয়ের সময় দেওয়ার কথা ছিল, সেটা দেয়নি। এরপর থেকে শুধু আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে। এই ৯ ম্যাচ পর্যন্ত ওয়ার্নিং দেওয়া ছিল, যে এরপর টাকা পেলে খেলবো না হলে খেলবো না। এরপর আজ তারা (ক্লাবের কর্মকর্তা) উপস্থিতও হয়নি এবং আমাদের প্লেয়ারদের সাইনিংয়ের যে ফটোকপিগুলো আছে, সেটাও দেয়নি। আমরা বলছি টাকা না দেন, কাগজটা আমাদের দেন, আমরা এই অনুযায়ী যেখানে যাওয়া লাগে যাবো।
ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক পরিশোধে গড়িমসি নিয়ে গেলো কয়েক বছরে একাধিকবার খবরের শিরোনাম হয়েছে ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাব। এবার যেন সবকিছুকেই ছাড়িয়ে গেলো তারা। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে শুক্রবার অগ্রনী ব্যাংকের বিপক্ষে ওয়াকওভার দিয়েছে ক্লাবটি।
বেশ কয়েকটি সূত্রের মাধ্যমে জাগো নিউজ নিশ্চিত হয়েছে, পারিশ্রমিক না পাওয়াতে মাঠেই নামতে চায়নি ব্রাদার্স ইউনিয়নের ক্রিকেটাররা। যে কারণে ম্যাচটি ওয়াকওভার হয়ে যাওয়ায় জয় পেয়েছে অগ্রণী ব্যাংক।
ব্রাদার্স ইউনিয়নের টিম ম্যানেজমেন্টের একটি সূত্র জানায় নবম রাউন্ড পর্যন্ত পারিশ্রমিক দেওয়ার বিষয়ে ক্রিকেটাররা সতর্ক করে আসছিল। কিন্তু শুক্রবার পারিশ্রিম তো দূরের কথা, ক্লাবের কেউ মাঠেই হাজির হননি। সূত্র জানায়, ‘আমাদেরকে ২০ শতাংশ পেমেন্ট সাইনিংয়ের সময় দেওয়ার কথা ছিল, সেটা দেয়নি। এরপর থেকে শুধু আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে। এই ৯ ম্যাচ পর্যন্ত ওয়ার্নিং দেওয়া ছিল, যে এরপর টাকা পেলে খেলবো না হলে খেলবো না। এরপর আজ তারা (ক্লাবের কর্মকর্তা) উপস্থিতও হয়নি এবং আমাদের প্লেয়ারদের সাইনিংয়ের যে ফটোকপিগুলো আছে, সেটাও দেয়নি। আমরা বলছি টাকা না দেন, কাগজটা আমাদের দেন, আমরা এই অনুযায়ী যেখানে যাওয়া লাগে যাবো। কোনোটাই দেয়নি। এরপর কালকে (বৃহস্পতিবার) আমাদের মাঠে এসে কিছু টাকা দিয়েছিল, যেটা গাড়িভাড়াও না। এটা কোনো কথা হইতে পারে? আলটিমেটলি দেখা যাচ্ছে যে, আমরা তো খেলতে পারি নাই। আমাদের তো কোনো লাভ হয় নাই।’
ব্রাদার্স ইউনিয়নের ম্যানেজার আমিন খানের সঙ্গে ক্রিকেটাররা কথা বললেও তিনি কোনো আগ্রহই দেখাননি এটি সমাধান করার। সূত্র আরও জানায়, ‘আমাদের ম্যানেজারের সঙ্গে কথা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা এটা সমাধান করতে আসেনি। আর আমাদের তো খেলতে হবে। আমরা ইতোমধ্যে নয়টা ম্যাচ খেলছি।’ আমিন খানের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। জাগো নিউজ থেকে তাকে একাধিকবার হোয়াটসঅ্যাপে কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এমনকি কয়েকদিন আগে হওয়া ঈদ উল আযহাও ঠিকঠাক পালন করতে পারেননি ব্রাদার্সের ক্রিকেটাররা, ‘আমাদের প্লেয়াররা ঈদের সময় বাড়িতে যেতে পারে নাই। কোরবানির ঈদ, একটা প্লেয়ার কোরবানি করতে পারে নাই। যাদের টাকা ছিল, তারাই কোরবানি করতে পেরেছে। যাদের টাকা নাই, তারা তো কোরবানি করতে পারে নাই। কেউ টাকা না নিয়ে কোরবানি দিয়েছে? টাকা নিয়েই তো আপনার কোরবানি দেয়। আমাদের প্লেয়ারদের ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা দিয়েছে। অদ্ভুত ব্যাপার।’
চলতি লিগে ৯ ম্যাচে এক জয়ে ১২ দলের আসরে টেবিলের তলানিতে আছে ব্রাদার্স ইউনিয়ন।
এসকেডি/আইএন/জেআইএম
What's Your Reaction?