পাহাড় ও টিলা কাটা বন্ধে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

পাহাড় ও টিলা কাটা বন্ধে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারকে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘পাহাড় ও টিলা কাটা বন্ধে করণীয় নিরূপণ’ শীর্ষক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, খাগড়াছড়িতে তিন মাসে আট পাহাড় বিলীনের সংবাদ প্রকাশের পরিপ্রেক্ষিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে একে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে পরিবেশ অধিদপ্তর বা অন্য কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সভায় জানানো হয়, খাগড়াছড়ি সদরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে খাড়িছড়া মাস্টারপাড়া থেকে দুটি এক্সকাভেটর জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া, মানিকছড়ি উপজেলার তিনটহরীয় এক লাখ টাকা জরিমানা এবং যোগ্যাছোলা ও বাটনাটলীতে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাহাড় কাটায় এক্সকাভেটর ব্যবহার বন্ধে কঠোর নজরদারি জোরদার করতে হবে। এক্সকাভেটর ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করে স্থানীয় প্রশাসনের (জেলা ও উপজেলা)

পাহাড় ও টিলা কাটা বন্ধে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

পাহাড় ও টিলা কাটা বন্ধে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারকে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘পাহাড় ও টিলা কাটা বন্ধে করণীয় নিরূপণ’ শীর্ষক সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, খাগড়াছড়িতে তিন মাসে আট পাহাড় বিলীনের সংবাদ প্রকাশের পরিপ্রেক্ষিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে একে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে পরিবেশ অধিদপ্তর বা অন্য কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সভায় জানানো হয়, খাগড়াছড়ি সদরে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার মাধ্যমে খাড়িছড়া মাস্টারপাড়া থেকে দুটি এক্সকাভেটর জব্দ করা হয়েছে। এছাড়া, মানিকছড়ি উপজেলার তিনটহরীয় এক লাখ টাকা জরিমানা এবং যোগ্যাছোলা ও বাটনাটলীতে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

সভায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাহাড় কাটায় এক্সকাভেটর ব্যবহার বন্ধে কঠোর নজরদারি জোরদার করতে হবে। এক্সকাভেটর ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করে স্থানীয় প্রশাসনের (জেলা ও উপজেলা) অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হবে। ইটভাটায় ব্যবহৃত মাটির উৎস যাচাই ছাড়া কোনো অনুমতি দেওয়া যাবে না। ভাটায় কৃষিজমির মাটি ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পরিবেশ অধিদপ্তরের করা মামলা তদন্ত করে দ্রুত নিষ্পত্তি এবং আসামিদের গ্রেফতার নিশ্চিত করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সব বিভাগ ও প্রশাসনকে সমন্বিতভাবে কাজ করে পাহাড় ও পরিবেশ রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব, সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরএএস/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow