পাহাড়ের পাদদেশে আর বসতি নয়, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন করা হবে
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, প্রতিবছর পাহাড়ধসে প্রাণহানির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে পাহাড়ের পাদদেশে আর কোনো বসতি থাকতে দেওয়া হবে না। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোকে পর্যায়ক্রমে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন করা হবে।। শনিবার (১১ জুলাই) চট্টগ্রাম নগরের আকবরশাহ থানার এক নম্বর ঝিলের বায়তুন নুর জামে মসজিদসংলগ্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে রান্না করা খাবার ও শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়। আরও পড়ুন চট্টগ্রাম বিভাগ / বন্যা-পাহাড়ধসে ৬ দিনে ৪৩ প্রাণহানি, ক্ষতিগ্রস্ত ৮ লাখ ৬৭ হাজার মানুষ প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে চট্টগ্রামে কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে। প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও সরকারি বিভিন্ন সংস্থা এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন সমন্বিতভাবে উদ্ধার, ত্রাণ ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে পাহাড়ধসে প্রাণহানির ঘটনাগুলো অত্যন্ত মর্মান
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
তিনি বলেন, প্রতিবছর পাহাড়ধসে প্রাণহানির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে পাহাড়ের পাদদেশে আর কোনো বসতি থাকতে দেওয়া হবে না। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোকে পর্যায়ক্রমে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন করা হবে।।
শনিবার (১১ জুলাই) চট্টগ্রাম নগরের আকবরশাহ থানার এক নম্বর ঝিলের বায়তুন নুর জামে মসজিদসংলগ্ন আশ্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত বন্যা ও পাহাড়ধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে রান্না করা খাবার ও শুকনো খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে চট্টগ্রামে কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে। প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও সরকারি বিভিন্ন সংস্থা এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন সমন্বিতভাবে উদ্ধার, ত্রাণ ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তবে পাহাড়ধসে প্রাণহানির ঘটনাগুলো অত্যন্ত মর্মান্তিক। তিনি নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তিনি জানান, সরকারের প্রধান তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি চট্টগ্রামে এসে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র পর্যালোচনা করছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত মানুষদের জন্য যতদিন প্রয়োজন হবে, ততদিন খাদ্য, চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারী পরিবারগুলোর জন্য সরকার প্রয়োজনীয় জমি ও আবাসনের ব্যবস্থা করবে। এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, আকবরশাহ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ পাহাড় কাটা ও দখলের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ভবিষ্যতে পাহাড় কাটা বা নতুন করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় কোনো আবাসন গড়ে উঠতে দেওয়া হবে না।
মেয়র বলেন, দুর্যোগের শুরু থেকেই সিটি করপোরেশন আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে রান্না করা খাবার, শুকনো খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও চিকিৎসাসেবা দিয়ে আসছে। গর্ভবতী নারী, শিশু ও অসুস্থদের জন্য সিটি করপোরেশনের হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোও সার্বক্ষণিক সেবা দিচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই সহায়তা অব্যাহত থাকবে।
পরে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ও মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত নারী, শিশু ও প্রবীণদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের হাতে ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন।
এমআরএএইচ/কেএসআর
What's Your Reaction?

