পিকআপের ধাক্কায় গেল চিকিৎসকের প্রাণ
মাত্র কয়েক মাস আগে সম্পন্ন হয়েছে বিয়ে। নতুন সংসারের হরেক রকম স্বপ্ন আর ভালোবাসার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে রাজধানী ঢাকা থেকে নিজ বাড়ি লক্ষ্মীপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন চিকিৎসক শান্ত চন্দ্র শীল (৩২)। কিন্তু ফেরা আর হলো না, পথেই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিভে গেল তার জীবনপ্রদীপ। স্বামীকে হারিয়ে মুহূর্তেই বিধবা হলেন সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী, আর একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে শোকে কাতর বাবা কৃষ্ণ চন্দ্র শীল এখন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার হাড়িখোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত শান্ত চন্দ্র শীল লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের চৌপল্লী গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র শীলের একমাত্র ছেলে। তিন সন্তানের মধ্যে তিনিই ছিলেন একমাত্র পুত্র। মাত্র কয়েক মাস আগে বিয়ে করেছিলেন শান্ত। প্রত্যক্ষদর্শী হাবিবুর রহমান জনি জানান, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামমুখী একটি লরি একই দিকে চলাচলরত একটি পিকআপকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে পিকআপটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এ সময় মোটরসাইকেলে
মাত্র কয়েক মাস আগে সম্পন্ন হয়েছে বিয়ে। নতুন সংসারের হরেক রকম স্বপ্ন আর ভালোবাসার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে রাজধানী ঢাকা থেকে নিজ বাড়ি লক্ষ্মীপুরের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন চিকিৎসক শান্ত চন্দ্র শীল (৩২)। কিন্তু ফেরা আর হলো না, পথেই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিভে গেল তার জীবনপ্রদীপ।
স্বামীকে হারিয়ে মুহূর্তেই বিধবা হলেন সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী, আর একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে শোকে কাতর বাবা কৃষ্ণ চন্দ্র শীল এখন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার হাড়িখোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত শান্ত চন্দ্র শীল লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার উত্তর জয়পুর ইউনিয়নের চৌপল্লী গ্রামের কৃষ্ণ চন্দ্র শীলের একমাত্র ছেলে। তিন সন্তানের মধ্যে তিনিই ছিলেন একমাত্র পুত্র। মাত্র কয়েক মাস আগে বিয়ে করেছিলেন শান্ত।
প্রত্যক্ষদর্শী হাবিবুর রহমান জনি জানান, ঢাকা থেকে চট্টগ্রামমুখী একটি লরি একই দিকে চলাচলরত একটি পিকআপকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে পিকআপটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এ সময় মোটরসাইকেলে থাকা শান্ত চন্দ্র শীল ও তার স্ত্রী সড়কে ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক শান্ত চন্দ্র শীলকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে হাইওয়ে পুলিশ ইলিয়টগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) জাকির সিকদার জানান, মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এদিকে শান্ত চন্দ্র শীলের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই লক্ষ্মীপুরের চৌপল্লী গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠেছে পরিবেশ।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কৃষ্ণ চন্দ্র শীলের তিন সন্তানের মধ্যে শান্তই ছিলেন একমাত্র ছেলে। কয়েক মাস আগে বিয়ে হওয়ায় পরিবারে ছিল নতুন আনন্দ। স্ত্রীকে নিয়ে নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখছিলেন শান্ত। কিন্তু সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না।
ছেলের সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুর খবর পেয়ে শোকে হৃদরোগে আক্রান্ত হন বাবা কৃষ্ণ চন্দ্র শীল। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
একদিকে স্বামীর আকস্মিক মৃত্যুতে নববধূর জীবনে নেমে এসেছে গভীর অন্ধকার, অন্যদিকে একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে মৃত্যুশয্যায় বাবা। মাত্র কয়েক মাসের সাজানো সংসার ও একটি পরিবারের স্বপ্ন যেন এক সড়ক দুর্ঘটনাতেই মুহূর্তের মধ্যে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল।
What's Your Reaction?