পিরোজপুরে দুই মরদেহ উদ্ধার

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ভিন্ন স্থান থেকে দুটি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৩০ মে) রাত ১১টার দিকে উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নে এ উদ্ধারের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- আব্দুর রশিদ। তিনি আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে এবং একই এলাকার মো. কালু মিয়ার ছেলে সাগর। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত ১১টার দিকে আব্দুর রশিদকে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়া হয়। পরে ভোরে নেহালিয়া মাদ্রাসার পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর করেন। অন্যদিকে, একই এলাকায় মো. কালু মিয়ার ছেলে সাগরকেও হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি এক সন্তানের জনক ছিলেন। তার মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যার কারণ ও এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে এলাকাবাসীর সন্দেহ বিদ্যুতের পিলার সংগ্রহ করতে গিয়ে দ্বন্দ্ব হওয়ার ফলে এই জোড়া খুন হতে পারে। রশিদের স্ত্রী ময়না বেগম কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, গভীর রাতে কেও তাদের ফোন দিয়ে নিয়ে যায়। আমি যেতে নিষেধ করে

পিরোজপুরে দুই মরদেহ উদ্ধার

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় ভিন্ন স্থান থেকে দুটি লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৩০ মে) রাত ১১টার দিকে উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নে এ উদ্ধারের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- আব্দুর রশিদ। তিনি আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে এবং একই এলাকার মো. কালু মিয়ার ছেলে সাগর।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাত ১১টার দিকে আব্দুর রশিদকে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়া হয়। পরে ভোরে নেহালিয়া মাদ্রাসার পাশে তার মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে খবর করেন।

অন্যদিকে, একই এলাকায় মো. কালু মিয়ার ছেলে সাগরকেও হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি এক সন্তানের জনক ছিলেন। তার মৃত্যুর ঘটনায় পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যার কারণ ও এর সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। তবে এলাকাবাসীর সন্দেহ বিদ্যুতের পিলার সংগ্রহ করতে গিয়ে দ্বন্দ্ব হওয়ার ফলে এই জোড়া খুন হতে পারে।

রশিদের স্ত্রী ময়না বেগম কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, গভীর রাতে কেও তাদের ফোন দিয়ে নিয়ে যায়। আমি যেতে নিষেধ করেছি শুনেনি। সকালে লাশ হয়ে ফিরে আসল।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মঠবাড়িয়া সার্কেল) পার্থ চক্রবর্তী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু করেছে। লাশ দুটি আমাদের জিম্মায় নিয়েছি। সিআইডি টিম আসলে নমুনা সংগ্রহ করা হবে। 
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow