পুত্রবধূর সাথে অভিমান করে চিরকুট লিখে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় পুত্রবধূর সঙ্গে পূর্ববিরোধের জেরে অভিমান করে কীটনাশক পান করে জসিম উদ্দিন (৭০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর আগে তিনি একটি চিরকুট লিখে যান। রবিবার (১৬ আগস্ট) ভোররাত ৪টার দিকে সদর উপজেলার তালশহর পূর্ব ইউনিয়নের অষ্টগ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত জসিম উদ্দিন অষ্টগ্রামের বলা গাজী বাড়ির মৃত ইদ্রিস মিয়ার ছেলে। অভাবের কারণে তিনি পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন। পুত্রবধূ মাছুমার সঙ্গে পূর্ববিরোধের জেরে অভিমান করে জসিম উদ্দিন নিজ এলাকার একটি মসজিদের বারান্দার সামনে কীটনাশক জাতীয় বিষ পান করেন। পরে মসজিদের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়। পরিবারের দাবি, বিষপানের আগে জসিম উদ্দিন একটি চিরকুট লিখে যান। সেখানে তিনি লিখেছেন, _‘আমি হতভাগা, ছেলের বউয়ের জ্বালায় মরিলাম।’_ নিহতের ছেলে হাসান মিয়া অভিযোগ করে বলেন, _“আমার বাবা খুব সহজ-সরল মানুষ ছিলেন। পুত্রবধূর তুচ্ছতাচ্ছিল্যপূর্ণ আচরণ সহ্য করতে না পেরেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন। বাব

পুত্রবধূর সাথে অভিমান করে চিরকুট লিখে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় পুত্রবধূর সঙ্গে পূর্ববিরোধের জেরে অভিমান করে কীটনাশক পান করে জসিম উদ্দিন (৭০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর আগে তিনি একটি চিরকুট লিখে যান।

রবিবার (১৬ আগস্ট) ভোররাত ৪টার দিকে সদর উপজেলার তালশহর পূর্ব ইউনিয়নের অষ্টগ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

নিহত জসিম উদ্দিন অষ্টগ্রামের বলা গাজী বাড়ির মৃত ইদ্রিস মিয়ার ছেলে। অভাবের কারণে তিনি পেশায় অটোরিকশা চালক ছিলেন।

পুত্রবধূ মাছুমার সঙ্গে পূর্ববিরোধের জেরে অভিমান করে জসিম উদ্দিন নিজ এলাকার একটি মসজিদের বারান্দার সামনে কীটনাশক জাতীয় বিষ পান করেন। পরে মসজিদের লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

পরিবারের দাবি, বিষপানের আগে জসিম উদ্দিন একটি চিরকুট লিখে যান। সেখানে তিনি লিখেছেন, _‘আমি হতভাগা, ছেলের বউয়ের জ্বালায় মরিলাম।’_

নিহতের ছেলে হাসান মিয়া অভিযোগ করে বলেন, _“আমার বাবা খুব সহজ-সরল মানুষ ছিলেন। পুত্রবধূর তুচ্ছতাচ্ছিল্যপূর্ণ আচরণ সহ্য করতে না পেরেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন। বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে আমার স্ত্রী বাড়ি থেকে চলে গেছেন। এ ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা চাই।”

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, _“পুত্রবধূর সঙ্গে অভিমান করে এক বৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযুক্ত পুত্রবধূ পলাতক রয়েছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।”

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow