পুলিশ দম্পতির বিরুদ্ধে গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগ

খুলনার সোনাডাঙ্গায় আবাসিক এলাকায় পুলিশ দম্পতির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে তরকারি পুড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে আবাসিকের সোলার পার্কসংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন সোনাডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সঞ্জয় মিত্র ও তার স্ত্রী পপি মিত্র। জানা গেছে, পপি মিত্রও একই থানায় কর্মরত। নির্যাতনের শিকার গৃহকর্মীর নাম মিলন। তিনি নরসিংদীর বাসিন্দা। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর ছোটবেলা থেকেই ওই পরিবারের সঙ্গে থেকে কাজ করে আসছিলেন বলে জানা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসার বারান্দায় মিলনকে কান ধরে ওঠবস করানো হচ্ছিল এবং লাঠি দিয়ে মারধর করা হচ্ছিল। খবর পেয়ে এক সংবাদকর্মী ও কয়েকজন সামাজিক সংগঠনের নারী নেত্রী ঘটনাস্থলে গেলে প্রথমে তাঁদের বাসায় প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আরও সাংবাদিক ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা সেখানে জড়ো হন। একপর্যায়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মিলনকে উদ্ধার করে সোনাডাঙ্গা থানার ভিকটিম সাপোর্

পুলিশ দম্পতির বিরুদ্ধে গৃহকর্মী নির্যাতনের অভিযোগ

খুলনার সোনাডাঙ্গায় আবাসিক এলাকায় পুলিশ দম্পতির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে তরকারি পুড়ে যাওয়াকে কেন্দ্র করে আবাসিকের সোলার পার্কসংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অভিযুক্তরা হলেন সোনাডাঙ্গা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সঞ্জয় মিত্র ও তার স্ত্রী পপি মিত্র। জানা গেছে, পপি মিত্রও একই থানায় কর্মরত।

নির্যাতনের শিকার গৃহকর্মীর নাম মিলন। তিনি নরসিংদীর বাসিন্দা। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর ছোটবেলা থেকেই ওই পরিবারের সঙ্গে থেকে কাজ করে আসছিলেন বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসার বারান্দায় মিলনকে কান ধরে ওঠবস করানো হচ্ছিল এবং লাঠি দিয়ে মারধর করা হচ্ছিল। খবর পেয়ে এক সংবাদকর্মী ও কয়েকজন সামাজিক সংগঠনের নারী নেত্রী ঘটনাস্থলে গেলে প্রথমে তাঁদের বাসায় প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আরও সাংবাদিক ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা সেখানে জড়ো হন।

একপর্যায়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মিলনকে উদ্ধার করে সোনাডাঙ্গা থানার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে নিয়ে যায়।

উদ্ধারের পর মিলনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গরম খুন্তি ও কড়াইয়ের ছ্যাঁকার চিহ্ন দেখা যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া তাঁর শরীরে আগের নির্যাতনেরও একাধিক দাগ রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। গৃহকর্মীকে উদ্ধার করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ঘটনার খবর পেয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের থানায় আনা হয়েছে। অভিযুক্ত দুই এএসআইয়ের বিরুদ্ধে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তাদেরকে থানায় আনা হয়েছে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow