পুলিশ নিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানে ত্রাণমন্ত্রী, এক দিনে আটক ১৫
মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশ নিয়ে নিজেই মাঠে নেমেছেন লালমনিরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। অভিযানের প্রথম দিনেই আটক হয়েছেন ১৫ মাদকসেবী। রোববার (৫ জুলাই) দিনব্যাপী নিজেই অভিযানের নেতৃত্ব দিয়ে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ওই ১৫ জন মাদকসেবীকে আটক করেছেন তিনি। মন্ত্রীর এমন সরাসরি পদক্ষেপে জেলাজুড়ে মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এর আগে শনিবার বিকেলে লালমনিরহাটে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সামাজিক সংগঠন ‘আলোকিত লালমনিরহাট’-এর মাদকবিরোধী ও সামাজিক অপরাধ দমন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। সংগঠনটির মূল লক্ষ্য, মাদক, জুয়া, বাল্যবিয়ে ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা। উদ্বোধনের ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই মন্ত্রী নিজেই সংগঠনের ব্যানারে মাঠে নেমে প্রমাণ করলেন, তিনি কেবল আশ্বাস নয়, মাঠপর্যায়ের কাজের বিশ্বাসী। তিনি রোববার বিকেলে সদর উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়নের চইলতার তল এলাকায় অভিযানের সময় তিন মাদকসেবীকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে তার উপস্থিতিতে মোগলহাট ও কুলাঘাটসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আরও ১২ জনকে আটক করে পুলিশ। আ
মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশ নিয়ে নিজেই মাঠে নেমেছেন লালমনিরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। অভিযানের প্রথম দিনেই আটক হয়েছেন ১৫ মাদকসেবী।
রোববার (৫ জুলাই) দিনব্যাপী নিজেই অভিযানের নেতৃত্ব দিয়ে জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে ওই ১৫ জন মাদকসেবীকে আটক করেছেন তিনি। মন্ত্রীর এমন সরাসরি পদক্ষেপে জেলাজুড়ে মাদক কারবারি ও সেবনকারীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
এর আগে শনিবার বিকেলে লালমনিরহাটে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সামাজিক সংগঠন ‘আলোকিত লালমনিরহাট’-এর মাদকবিরোধী ও সামাজিক অপরাধ দমন কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। সংগঠনটির মূল লক্ষ্য, মাদক, জুয়া, বাল্যবিয়ে ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা। উদ্বোধনের ২৪ ঘণ্টা পার না হতেই মন্ত্রী নিজেই সংগঠনের ব্যানারে মাঠে নেমে প্রমাণ করলেন, তিনি কেবল আশ্বাস নয়, মাঠপর্যায়ের কাজের বিশ্বাসী।
তিনি রোববার বিকেলে সদর উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়নের চইলতার তল এলাকায় অভিযানের সময় তিন মাদকসেবীকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে তার উপস্থিতিতে মোগলহাট ও কুলাঘাটসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আরও ১২ জনকে আটক করে পুলিশ। আটকদের বেশিরভাগই জেলার বাইরের বাসিন্দা বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে।
অভিযান শেষে মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, লালমনিরহাটের পরিবেশ যারা নষ্ট করছে, বাইরে থেকে এসে যারা মাদকের মরণনেশা ছড়াচ্ছে, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অপরাধ নির্মূলে প্রশাসনকে সাহায্য করার পাশাপাশি আমরা একটি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চাই। ‘আলোকিত লালমনিরহাট’-এর এই কার্যক্রম কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। আগামী দিনেও মাদকের বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলতে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মন্ত্রী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে আরও বলেন, ‘কেবল মাদক নয়, বাল্যবিয়ে, যৌতুক ও দুর্নীতির মতো সামাজিক ব্যাধিগুলোও আমরা পর্যায়ক্রমে সমাজ থেকে নির্মূল করব।’
স্থানীয় সচেতন মহল বলছেন, একজন মন্ত্রী নিজেই মাদকের বিরুদ্ধে এভাবে মাঠে নেমে আসায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে আশার আলো জেগেছে। অতীতে মাদকের বিরুদ্ধে অনেক কথা হলেও এমন সরাসরি কার্যক্রম আগে দেখা যায়নি।
অভিযানকালে মন্ত্রীর সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ সংগঠনের কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
লালমনিরহাট সদর থানার ওসি সাদ আহমেদ বলেন, মন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছি। আটকদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এই অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
What's Your Reaction?