পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা, ১০ জনের যাবজ্জীবন

চট্টগ্রামে ১২ বছর আগে পুলিশের এক সদস্যকে হত্যা ঘটনায় ১০ ছিনতাইকারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় দেন। দণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন- মো. জাবেদ, নুরুল আলম, সুমন মোল্লা, হারুন অর রশিদ, তপন চন্দ্র সরকার, মিন্টু দাশ, আরছাল ওরফে রাসেল, ফারুক ওরফে বুলেট ফারুক, মো. সোহেল ও মো. বাবুল। তাদের মধ্যে তপন, আরছাল, সোহেল, বাবুল কারাগারে রয়েছেন, অন্যরা পলাতক। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ সাহেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৩ নভেম্বর নগরীর টাইগারপাস বাটালি পাহাড়ের পাদদেশে জুয়েল ও ইউসুফ আলী খান নামে দুই যুবক ছিনতাইয়ের শিকার হন। ওই সময় পাহাড়ের কাছে ডিআইজি বাংলোর নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কর্মরত পাঁচ পুলিশ কনস্টেবল চলাফেরা করছিলেন। আহতদের চিৎকারে তারা ছিনতাইকারীদের ধাওয়া করে। পরে অন্যান্য ছিনতাইকারী ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালে এক পুলিশ নিহত ও দুজন আহত হয়। এ ঘটনায় খুলশী থানায় ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল। তদন্ত শেষে ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় এবং সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত

পুলিশ সদস্যকে কুপিয়ে হত্যা, ১০ জনের যাবজ্জীবন
চট্টগ্রামে ১২ বছর আগে পুলিশের এক সদস্যকে হত্যা ঘটনায় ১০ ছিনতাইকারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমান এ রায় দেন। দণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন- মো. জাবেদ, নুরুল আলম, সুমন মোল্লা, হারুন অর রশিদ, তপন চন্দ্র সরকার, মিন্টু দাশ, আরছাল ওরফে রাসেল, ফারুক ওরফে বুলেট ফারুক, মো. সোহেল ও মো. বাবুল। তাদের মধ্যে তপন, আরছাল, সোহেল, বাবুল কারাগারে রয়েছেন, অন্যরা পলাতক। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ সাহেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেন। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ৩ নভেম্বর নগরীর টাইগারপাস বাটালি পাহাড়ের পাদদেশে জুয়েল ও ইউসুফ আলী খান নামে দুই যুবক ছিনতাইয়ের শিকার হন। ওই সময় পাহাড়ের কাছে ডিআইজি বাংলোর নিরাপত্তারক্ষী হিসেবে কর্মরত পাঁচ পুলিশ কনস্টেবল চলাফেরা করছিলেন। আহতদের চিৎকারে তারা ছিনতাইকারীদের ধাওয়া করে। পরে অন্যান্য ছিনতাইকারী ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালে এক পুলিশ নিহত ও দুজন আহত হয়। এ ঘটনায় খুলশী থানায় ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছিল। তদন্ত শেষে ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় এবং সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় দেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোহাম্মদ সাহেদ বলেন, ১০ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ২৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগীর পরিবারকে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য শেষে আদালত এ রায় দেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow