পুলিশকে ‘ইট দিয়ে আঘাত করে’ আসামি ছিনতাইয়ের অভিযোগ
নরসিংদী রায়পুরায় পুলিশকে ‘ইট দিয়ে আঘাত’ করে হত্যা মামলার এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (০১ জুলাই) বিকেলে রায়পুরা উপজেলার চরাঞ্চল শ্রীনগর ইউনিয়নের সায়দাবাদ ফেরিঘাটে এ ঘটনা ঘটে। আসামি সেলিম মিয়া (৪৫) রায়পুরা উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের সায়দাবাদ গ্রামের মৃত তায়েব উদ্দিনের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, হত্যা, বাড়ি পোড়ানো, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মারামারিসহ নানা অভিযোগে সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে চারটি মামলা রয়েছে। বিকেলে শ্রীনগর ইউনিয়নের সায়দাবাদ গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে পুলিশ সেলিম মিয়াকে নিয়ে থানার উদ্দেশে রওনা দেয়। পুলিশের গাড়িটি সায়দাবাদ ফেরিঘাটে পৌঁছলে লোকজন জড়ো হয়ে একজন পুলিশ সদস্যকে ইট দিয়ে আঘাত করে আসামি সেলিমকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন নুসরাত জাহান নিপা বলেন, বিকেলে আব্দুল আলিম নামে একজন পুলিশ সদস্য আহত হয়ে আমাদের এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। তিনি আসামি ধরতে গিয়ে আহত হন। আসামি উনাকে ইট দিয়ে ডান হাতের শোল্ডার জয়েন্টের একটু নিচে আঘাত করে আহত করে বলে জানান। রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান জানান
নরসিংদী রায়পুরায় পুলিশকে ‘ইট দিয়ে আঘাত’ করে হত্যা মামলার এক আসামিকে ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (০১ জুলাই) বিকেলে রায়পুরা উপজেলার চরাঞ্চল শ্রীনগর ইউনিয়নের সায়দাবাদ ফেরিঘাটে এ ঘটনা ঘটে।
আসামি সেলিম মিয়া (৪৫) রায়পুরা উপজেলার শ্রীনগর ইউনিয়নের সায়দাবাদ গ্রামের মৃত তায়েব উদ্দিনের ছেলে।
স্থানীয়রা জানান, হত্যা, বাড়ি পোড়ানো, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মারামারিসহ নানা অভিযোগে সেলিম মিয়ার বিরুদ্ধে চারটি মামলা রয়েছে। বিকেলে শ্রীনগর ইউনিয়নের সায়দাবাদ গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে পুলিশ সেলিম মিয়াকে নিয়ে থানার উদ্দেশে রওনা দেয়। পুলিশের গাড়িটি সায়দাবাদ ফেরিঘাটে পৌঁছলে লোকজন জড়ো হয়ে একজন পুলিশ সদস্যকে ইট দিয়ে আঘাত করে আসামি সেলিমকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী সার্জন নুসরাত জাহান নিপা বলেন, বিকেলে আব্দুল আলিম নামে একজন পুলিশ সদস্য আহত হয়ে আমাদের এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। তিনি আসামি ধরতে গিয়ে আহত হন। আসামি উনাকে ইট দিয়ে ডান হাতের শোল্ডার জয়েন্টের একটু নিচে আঘাত করে আহত করে বলে জানান।
রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান জানান, সেলিমের বিরুদ্ধে একটি হত্যাসহ তিনটি মামলার ওয়ারেন্ট রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ সায়দাবাদ এলাকায় গেলে স্থানী লোকজন জড়ো হয়। স্থানীয় লোকজনের ভিড়ের মধ্যে আসামি সেলিম মিয়া পালিয়ে যায়। এ সময় কোনো পুলিশ আহতের ঘটনা ঘটেনি।
What's Your Reaction?