পুলিশে চাকরি পেলেন রাঙ্গুনিয়ার ৮ তরুণ-তরুণী, মেধার জয়ে থানায় ফুলেল অভ্যর্থনা

একটা সময় ছিল যখন পুলিশে চাকরি মানেই সাধারণ মানুষের চোখে ভেসে উঠত লাখ টাকার লেনদেন কিংবা প্রভাবশালী মহলের জোর তদবিরের চেনা ছবি। কিন্তু সেই পুরোনো সমীকরণ ও নেতিবাচক ধারণাকে পুরোপুরি বদলে দিয়ে এক নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায়। কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন কিংবা সুপারিশ ছাড়াই নিজেদের মেধা আর যোগ্যতার কারণে বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলার ৮ জন তরুণ ও তরুণী। স্বচ্ছ ও সম্পূর্ণ মেধাভিত্তিক এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্জিত সাফল্য এখন পুরো রাঙ্গুনিয়াজুড়ে প্রশংসায় ভাসছে। আর এই নবীনদের অনন্য অর্জনকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসনও। সোমবার (২৯ জুন) সকালে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানায় এই ৮ তরুণ-তরুণীকে এক ব্যতিক্রমী ও সম্মানজনক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জহির উদ্দিন নিজে ফুল দিয়ে এই ৮ নবীন পুলিশ সদস্যকে বরণ করে নেন এবং মিষ্টিমুখ করান। এ সময় থানায় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নবনিযুক্তদের অভিনন্দন জানিয়ে ওসি মোহাম্মদ জহির উদ্দিন বলেন, তোমরা সম্পূর্ণ নিজেদের মেধা, যোগ্যতা ও কঠোর

পুলিশে চাকরি পেলেন রাঙ্গুনিয়ার ৮ তরুণ-তরুণী, মেধার জয়ে থানায় ফুলেল অভ্যর্থনা

একটা সময় ছিল যখন পুলিশে চাকরি মানেই সাধারণ মানুষের চোখে ভেসে উঠত লাখ টাকার লেনদেন কিংবা প্রভাবশালী মহলের জোর তদবিরের চেনা ছবি। কিন্তু সেই পুরোনো সমীকরণ ও নেতিবাচক ধারণাকে পুরোপুরি বদলে দিয়ে এক নতুন দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায়।

কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন কিংবা সুপারিশ ছাড়াই নিজেদের মেধা আর যোগ্যতার কারণে বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নির্বাচিত হয়েছেন উপজেলার ৮ জন তরুণ ও তরুণী।

স্বচ্ছ ও সম্পূর্ণ মেধাভিত্তিক এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্জিত সাফল্য এখন পুরো রাঙ্গুনিয়াজুড়ে প্রশংসায় ভাসছে। আর এই নবীনদের অনন্য অর্জনকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসনও। সোমবার (২৯ জুন) সকালে রাঙ্গুনিয়া মডেল থানায় এই ৮ তরুণ-তরুণীকে এক ব্যতিক্রমী ও সম্মানজনক সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ জহির উদ্দিন নিজে ফুল দিয়ে এই ৮ নবীন পুলিশ সদস্যকে বরণ করে নেন এবং মিষ্টিমুখ করান। এ সময় থানায় এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে নবনিযুক্তদের অভিনন্দন জানিয়ে ওসি মোহাম্মদ জহির উদ্দিন বলেন, তোমরা সম্পূর্ণ নিজেদের মেধা, যোগ্যতা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে আজ বাংলাদেশ পুলিশে যোগদানের সুযোগ পেয়েছ। এই গৌরব ধরে রাখতে হলে আগামী দিনে সততা, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দেশের সেবা করতে হবে। জনগণের আস্থা অর্জন করে নিজেদের একেকজন ‘মানবিক পুলিশ’ হিসেবে গড়ে তোলাই হোক তোমাদের মূল লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলমের নেতৃত্বে পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়াকে শতভাগ স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করা হয়েছিল। এখানে কোনো দালাল বা প্রতারকের খপ্পরে পড়ার সুযোগ ছিল না। রাঙ্গুনিয়ার এই আটজনের সাফল্যই প্রমাণ করে- সঠিক প্রস্তুতি আর সততা থাকলে আজকেও যোগ্যতার ভিত্তিতে সরকারি চাকরি পাওয়া সম্ভব।

নবনিযুক্তদের একজন জয় দে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, পুলিশের চাকরি নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নানা ভুল ধারণা ও ভয় ছিল। কিন্তু একটি টাকাও না দিয়ে কোনো তদবির ছাড়া শুধু নিজের যোগ্যতায় চাকরিটা পেয়ে আমি খুশি। আমাদের এই পথচলা আগামী দিনের চাকরিপ্রার্থীদের মেধা ও পরিশ্রমের ওপর আস্থা রাখতে দারুণভাবে অনুপ্রাণিত করবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow