পুলিশের এএসআইকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড

রংপুরে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) পিয়ারুল হত্যা মামলায় প্রধান আসামি পারভেজ রহমান পলাশকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে রংপুরের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মার্জিয়া খাতুন এ রায় ঘোষণা করেন। নিহত এএসআই পিয়ারুল ইসলাম কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের আবদুর রহমানের ছেলে। মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে তিন পুলিশ সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে নগরীর বাহার কাছনা এলাকার তেলিপাড়া গ্রামে অভিযান চালান এএসআই পিয়ারুল। এ সময় সেখান থেকে মাদক কারবারি পলাশকে ১৫১ পিস ইয়াবা ও গাঁজাসহ আটক করা হয়। আটকের পর আসামি পলাশ দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধাওয়া করে পেছন থেকে জাপটে ধরেন পিয়ারুল। পলাশ পিয়ারুলকে ছুরিকাঘাত করে পালানোর চেষ্টা করে। ছুরিকাঘাতে রক্তক্ষরণ হলেও পলাশকে ছাড়েননি তিনি। পরে শুরু হয় ধস্তাধস্তি।  একপর্যায়ে সহকর্মী পুলিশ সদস্য ও স্থানীয়রা আহত পিয়ারুলকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান এবং আসামি পলাশকে আটক করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। পরদিন সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপ

পুলিশের এএসআইকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, আসামির মৃত্যুদণ্ড

রংপুরে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) পিয়ারুল হত্যা মামলায় প্রধান আসামি পারভেজ রহমান পলাশকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে রংপুরের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মার্জিয়া খাতুন এ রায় ঘোষণা করেন।

নিহত এএসআই পিয়ারুল ইসলাম কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার বিদ্যানন্দ ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া গ্রামের আবদুর রহমানের ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর রাতে তিন পুলিশ সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে নগরীর বাহার কাছনা এলাকার তেলিপাড়া গ্রামে অভিযান চালান এএসআই পিয়ারুল। এ সময় সেখান থেকে মাদক কারবারি পলাশকে ১৫১ পিস ইয়াবা ও গাঁজাসহ আটক করা হয়।

আটকের পর আসামি পলাশ দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাকে ধাওয়া করে পেছন থেকে জাপটে ধরেন পিয়ারুল। পলাশ পিয়ারুলকে ছুরিকাঘাত করে পালানোর চেষ্টা করে। ছুরিকাঘাতে রক্তক্ষরণ হলেও পলাশকে ছাড়েননি তিনি। পরে শুরু হয় ধস্তাধস্তি। 

একপর্যায়ে সহকর্মী পুলিশ সদস্য ও স্থানীয়রা আহত পিয়ারুলকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান এবং আসামি পলাশকে আটক করেন। অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। পরদিন সকালে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এএসআই পিয়ারুল মারা যান।

হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ওইদিনই হারাগাছ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জিল্লুর রহমান বাদী হয়ে পুলিশ বাদী হয়ে হত্যা ও মাদক আইনে পৃথক দুটি মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) এএসএম মাহামুদুল করিম লিটন বলেন, উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দিয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow