পুশ-ইন ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন

যশোরের বেনাপোল সীমান্তে যাতে কোনোভাবে পুশ-ইনের ঘটনা না ঘটে, সেজন্য অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন, রাতের টহল বৃদ্ধি এবং আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি। মঙ্গলবার (৯ জুন) বেনাপোল সীমান্তের কয়েকটি এলাকা ঘুরে বিজিবির টহল চোখে পড়ে। বিভিন্ন জায়গায় স্থানীয়দেরকে দেখা গেছে বিজিবিকে সহযোগিতা করতে। এর আগে গত ৩১ মে রাতে বেনাপোলে আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের উত্তরে সাদিপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার জয়ন্তীপুর সীমান্তে জড়ো করা হয় শতাধিক নারী-পুরুষকে। পরে বিএসএফ সীমান্তের লাইট নিভিয়ে সাদিপুর খড়ের মাঠ এলাকার সীমান্ত পিলার নম্বর ১৯/এস ৬ এর কাছে ৮-১০ জনকে পুশের চেষ্টা করে। তবে তা রুখে দেয় বিজিবি। যশোর ৪৯ ব্যাটালিয়ন বিজিবির বেনাপোল চেকপোস্ট আইসিপি ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার মিজান হোসেন বলেন, ‘খবর রয়েছে পুশ-ইন করতে ওপারে বিএসএফের হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে মানুষ জড়ো করা হয়েছে। পুশ-ইন রোধে আগের চেয়ে সীমান্তে দেড়গুণ বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়

পুশ-ইন ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন

যশোরের বেনাপোল সীমান্তে যাতে কোনোভাবে পুশ-ইনের ঘটনা না ঘটে, সেজন্য অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

সীমান্তের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন, রাতের টহল বৃদ্ধি এবং আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।

মঙ্গলবার (৯ জুন) বেনাপোল সীমান্তের কয়েকটি এলাকা ঘুরে বিজিবির টহল চোখে পড়ে। বিভিন্ন জায়গায় স্থানীয়দেরকে দেখা গেছে বিজিবিকে সহযোগিতা করতে।

এর আগে গত ৩১ মে রাতে বেনাপোলে আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের উত্তরে সাদিপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার জয়ন্তীপুর সীমান্তে জড়ো করা হয় শতাধিক নারী-পুরুষকে। পরে বিএসএফ সীমান্তের লাইট নিভিয়ে সাদিপুর খড়ের মাঠ এলাকার সীমান্ত পিলার নম্বর ১৯/এস ৬ এর কাছে ৮-১০ জনকে পুশের চেষ্টা করে। তবে তা রুখে দেয় বিজিবি।

পুশ-ইন ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন

যশোর ৪৯ ব্যাটালিয়ন বিজিবির বেনাপোল চেকপোস্ট আইসিপি ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার মিজান হোসেন বলেন, ‘খবর রয়েছে পুশ-ইন করতে ওপারে বিএসএফের হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে মানুষ জড়ো করা হয়েছে। পুশ-ইন রোধে আগের চেয়ে সীমান্তে দেড়গুণ বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি সাদাপোশাকে বিজিবি সদস্যরা গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়েছেন।’

৪৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান বলেন, ‘সীমান্তে কঠোর অবস্থানে রয়েছে বিজিবি। যদি পুশ-ইন করা ব্যক্তিরা বাংলাদেশের নাগরিক হন, তাহলে প্রমাণ সাপেক্ষে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাদেরকে হস্তান্তর করতে পারে। আমরা তাদের সাদরে গ্রহণ করবো। কিন্তু কোনো অবস্থাতেই আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে কাউকে সীমান্ত দিয়ে ঠেলে দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না।’

জামাল হোসেন/এসআর/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow