পূর্বধলায় জামায়াত কর্মীর প্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

নেত্রকোনার পূর্বধলায় উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন আমতলা এলাকায় ‘নওরোজ কোচিং সেন্টারে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে এক উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ আনা হয়েছে। ঘটনার সংবাদ পেয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্থানীয় সূত্র মতে, সাধারণ মানুষের এনআইডি সংগ্রহ করে নিত্যপণ্য বিতরণের সন্দেহে জামায়াত কর্মীদের অবরুদ্ধ করে উৎসুক জনতা। ঘটনার পরদিন মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় উপজেলার রওশনারা রোডে অবস্থিত জামায়াতে ইসলামীর দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে নওরোজ কোচিং সেন্টার, নওরোজ কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার ও ‘ফ্যামিলি শপ’-এর স্বত্বাধিকারী এবং জামায়াত কর্মী সুরুজ্জামান অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে তার প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় সিসি ক্যামেরা ও কম্পিউটারসহ বিভিন্ন মালামাল লুটপাট এবং শারীরিক লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। এতে তার আনুমানিক ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান। সংবাদ সম্মেলনে নেত্রকোনা জেলা আম

পূর্বধলায় জামায়াত কর্মীর প্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

নেত্রকোনার পূর্বধলায় উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন আমতলা এলাকায় ‘নওরোজ কোচিং সেন্টারে সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে এক উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ আনা হয়েছে। ঘটনার সংবাদ পেয়ে সেনাবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

স্থানীয় সূত্র মতে, সাধারণ মানুষের এনআইডি সংগ্রহ করে নিত্যপণ্য বিতরণের সন্দেহে জামায়াত কর্মীদের অবরুদ্ধ করে উৎসুক জনতা।

ঘটনার পরদিন মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় উপজেলার রওশনারা রোডে অবস্থিত জামায়াতে ইসলামীর দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে নওরোজ কোচিং সেন্টার, নওরোজ কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার ও ‘ফ্যামিলি শপ’-এর স্বত্বাধিকারী এবং জামায়াত কর্মী সুরুজ্জামান অভিযোগ করেন, পরিকল্পিতভাবে তার প্রতিষ্ঠানে হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় সিসি ক্যামেরা ও কম্পিউটারসহ বিভিন্ন মালামাল লুটপাট এবং শারীরিক লাঞ্ছনার শিকার হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। এতে তার আনুমানিক ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানান।

সংবাদ সম্মেলনে নেত্রকোনা জেলা আমির সাদেক আহমদ হারিছ অভিযোগ করেন, আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নেত্রকোনা-৫ (পূর্বধলা) আসনে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। বিএনপির প্রার্থীর আত্মীয়স্বজন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত নেত্রকোনা-৫ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মাছুম মোস্তফা বলেন, দলীয় কর্মী-সমর্থকদের বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যা সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশকে বাধা সৃষ্টি করে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন পূর্বধলা উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির জয়নাল আবেদীন, নেত্রকোনা জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি রাসেল আহমেদ, সদর ইউনিয়ন জামায়াত সভাপতি তাজুল ইসলাম বাবুল এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের পূর্বধলা উপজেলা শাখার সেক্রেটারি মাওলানা শরীফুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow