পূর্বধলায় হাসপাতালে অভিযান, ৩ দালালকে জরিমানা

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালালচক্রের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তিন দালালকে অর্থদণ্ড এবং পাঁচ নারীকে মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুল ইসলাম এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযানে আটক নাছির উদ্দীন (২৫), জুবায়ের (৩০) ও মিদুল (২৫) দোষ স্বীকার করায় প্রত্যেককে ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়। অনাদায়ে তাঁদের কারাদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়। এদিকে আটক ছাবিনা (৩৫), মোমেনা (৪০), ফাতেমা খাতুন (৬০), রেনু (৪০) ও রেজিয়া (৪৫) ভবিষ্যতে হাসপাতাল এলাকায় কোনো ধরনের দালালি কার্যক্রমে জড়িত হবেন না—এ মর্মে লিখিত মুচলেকা দিলে তাঁদের সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়। অভিযানে পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহমুদুল হাসান মামুন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. বিশ্বপ্রিয় মজুমদার এবং পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন জানায়, সাধারণ রোগীদের হয়রানি ও দালালচক্রের দৌর

পূর্বধলায় হাসপাতালে অভিযান, ৩ দালালকে জরিমানা

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালালচক্রের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে তিন দালালকে অর্থদণ্ড এবং পাঁচ নারীকে মুচলেকায় মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুল ইসলাম এ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন।

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অভিযানে আটক নাছির উদ্দীন (২৫), জুবায়ের (৩০) ও মিদুল (২৫) দোষ স্বীকার করায় প্রত্যেককে ৫০০ টাকা করে অর্থদণ্ড করা হয়। অনাদায়ে তাঁদের কারাদণ্ডের আদেশও দেওয়া হয়। এদিকে আটক ছাবিনা (৩৫), মোমেনা (৪০), ফাতেমা খাতুন (৬০), রেনু (৪০) ও রেজিয়া (৪৫) ভবিষ্যতে হাসপাতাল এলাকায় কোনো ধরনের দালালি কার্যক্রমে জড়িত হবেন না—এ মর্মে লিখিত মুচলেকা দিলে তাঁদের সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়।

অভিযানে পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহমুদুল হাসান মামুন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. বিশ্বপ্রিয় মজুমদার এবং পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসন জানায়, সাধারণ রোগীদের হয়রানি ও দালালচক্রের দৌরাত্ম্য বন্ধ করে হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা স্বচ্ছ রাখতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। সরকারি হাসপাতালকে দালালমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত চলবে বলে ইউএনও জানান।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow