পৃথিবী পর্যবেক্ষণ উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যানডেনবার্গ স্পেস ফোর্স বেস থেকে স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটের মাধ্যমে মাঝারি আকারের পৃথিবী পর্যবেক্ষণ উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে। সব কিছু ঠিক থাকলে মঙ্গলবার এ উৎক্ষেপণ করা হবে। এটি দক্ষিণ কোরিয়ার চতুর্থ পৃথিবী পর্যবেক্ষণ উপগ্রহ।  দেশটির সংবাদ সংস্থা ইয়োনহাপের খবরে বলা হয়েছে, প্রায় ৫০০ কেজি ওজনের উপগ্রহটির কার্যকারিতা পরীক্ষা ও জ্বালানি ভরার কাজ গত এক মাসে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এটি উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে কোরিয়া অ্যারোস্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, উৎক্ষেপণের প্রায় ২ ঘণ্টা ২২ মিনিট পর উপগ্রহটি ফ্যালকন-৯ থেকে পৃথক হবে। এরপর ৩১ মিনিট পর নরওয়ের স্বালবার্ড গ্রাউন্ড স্টেশনের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো এর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা হবে। উপগ্রহটিতে দক্ষিণ কোরিয়ার নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সংযুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে একটি অত্যাধুনিক পর্যবেক্ষণ ক্যামেরা রয়েছে, যা প্রতি তিন দিনে একবার পুরো কোরীয় উপদ্বীপের ছবি ধারণ করতে সক্ষম। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উপগ্রহটি কৃষি ও বন ব্যবস্থাপনা, বনাঞ্চলের

পৃথিবী পর্যবেক্ষণ উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া
দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ভ্যানডেনবার্গ স্পেস ফোর্স বেস থেকে স্পেসএক্সের ফ্যালকন-৯ রকেটের মাধ্যমে মাঝারি আকারের পৃথিবী পর্যবেক্ষণ উপগ্রহ উৎক্ষেপণ করতে যাচ্ছে। সব কিছু ঠিক থাকলে মঙ্গলবার এ উৎক্ষেপণ করা হবে। এটি দক্ষিণ কোরিয়ার চতুর্থ পৃথিবী পর্যবেক্ষণ উপগ্রহ।  দেশটির সংবাদ সংস্থা ইয়োনহাপের খবরে বলা হয়েছে, প্রায় ৫০০ কেজি ওজনের উপগ্রহটির কার্যকারিতা পরীক্ষা ও জ্বালানি ভরার কাজ গত এক মাসে সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে এটি উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছে কোরিয়া অ্যারোস্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন। পরিকল্পনা অনুযায়ী, উৎক্ষেপণের প্রায় ২ ঘণ্টা ২২ মিনিট পর উপগ্রহটি ফ্যালকন-৯ থেকে পৃথক হবে। এরপর ৩১ মিনিট পর নরওয়ের স্বালবার্ড গ্রাউন্ড স্টেশনের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো এর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা হবে। উপগ্রহটিতে দক্ষিণ কোরিয়ার নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি বিভিন্ন যন্ত্রপাতি সংযুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে একটি অত্যাধুনিক পর্যবেক্ষণ ক্যামেরা রয়েছে, যা প্রতি তিন দিনে একবার পুরো কোরীয় উপদ্বীপের ছবি ধারণ করতে সক্ষম। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উপগ্রহটি কৃষি ও বন ব্যবস্থাপনা, বনাঞ্চলের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণ, দুর্যোগ মোকাবিলা, জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্লেষণ এবং জননিরাপত্তা জোরদারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহার করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow