পেট্রোলে সিঁদুর মিশিয়ে তৈরি হতো নকল ‘অকটেন’

মৌলভীবাজারের জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলায় পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল অবৈধ মজুত জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় পেট্রোলের সঙ্গে সিঁদুর মিশিয়ে নকল অকটেন তৈরির চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। দুটি অভিযানে সব মিলিয়ে প্রায় ২ হাজার ১২৫ লিটার তেল জব্দ করা হয়। বুধবার মধ্যরাতে জুড়ী উপজেলার সমাই বাজারের ‘মেসার্স ইউনিক ট্রেডার্স’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাবরিনা আক্তার। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের শুরুতে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ তেল মজুতের বিষয়টি অস্বীকার করলেও তল্লাশিতে ৬০০ লিটার ডিজেল ও ৭৫০ লিটার পেট্রোল উদ্ধার করা হয়। এ সময় সেখান থেকে ৫০ গ্রাম সিঁদুর জব্দ করা হয়, যা পেট্রোলের রঙ পরিবর্তন করে নকল অকটেন তৈরির কাজে ব্যবহৃত হতো। অবৈধ মজুত ও জালিয়াতির দায়ে প্রতিষ্ঠানের মালিক ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জুড়ী থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। একই সময়ে বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর বাজারের ‘নাফিজ ভ্যারাইটিজ স্টোর’-এ অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরি

পেট্রোলে সিঁদুর মিশিয়ে তৈরি হতো নকল ‘অকটেন’

মৌলভীবাজারের জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলায় পৃথক অভিযান চালিয়ে বিপুল অবৈধ মজুত জ্বালানি তেল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় পেট্রোলের সঙ্গে সিঁদুর মিশিয়ে নকল অকটেন তৈরির চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। দুটি অভিযানে সব মিলিয়ে প্রায় ২ হাজার ১২৫ লিটার তেল জব্দ করা হয়।

বুধবার মধ্যরাতে জুড়ী উপজেলার সমাই বাজারের ‘মেসার্স ইউনিক ট্রেডার্স’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাবরিনা আক্তার।

প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, অভিযানের শুরুতে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ তেল মজুতের বিষয়টি অস্বীকার করলেও তল্লাশিতে ৬০০ লিটার ডিজেল ও ৭৫০ লিটার পেট্রোল উদ্ধার করা হয়। এ সময় সেখান থেকে ৫০ গ্রাম সিঁদুর জব্দ করা হয়, যা পেট্রোলের রঙ পরিবর্তন করে নকল অকটেন তৈরির কাজে ব্যবহৃত হতো। অবৈধ মজুত ও জালিয়াতির দায়ে প্রতিষ্ঠানের মালিক ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে জুড়ী থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

একই সময়ে বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদনগর বাজারের ‘নাফিজ ভ্যারাইটিজ স্টোর’-এ অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) গালিব চৌধুরী। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে দোকানটি থেকে ৭২৫ লিটার অবৈধ মজুত ডিজেল জব্দ করা হয়।

সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে তেল বিক্রির অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন-২০০৯ অনুযায়ী দোকান মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দ তেল বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে প্রকাশ্যে নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করেছে উপজেলা প্রশাসন।

বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গালিব চৌধুরী বলেন, অবৈধ মজুত ও অতিরিক্ত মূল্যে জ্বালানি তেল বিক্রির সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছি। জনস্বার্থে এবং বাজার নিয়ন্ত্রণে আমাদের এই নিয়মিত তদারকি অব্যাহত থাকবে।

জুড়ীর ইউএনও (ভারপ্রাপ্ত) সাবরিনা আক্তার জানান, অবৈধভাবে তেল মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা ও জালিয়াতির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow