পেনাল্টিতে ফ্রান্সের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে স্পেন

বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে শুরুতেই চাপে ফেলে এগিয়ে গেলো স্পেন। ম্যাচের ২১ মিনিটে মিকেল ওয়ারজাবালের পেনাল্টি গোলে ১-০ ব্যবধানে লিড নিয়েছে বর্তমান ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা। ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও প্রথম বড় সুযোগটি কাজে লাগায় স্পেন। ২০ মিনিটে বাম প্রান্ত থেকে মার্ক কুকুরেয়ার ক্রস নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেন ফরাসি ডিফেন্ডার লুকা দিন; কিন্তু বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে তিনি লামিনে ইয়ামালকে জোরে লাথি মেরে বসেন। ঘটনাটি সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টি হিসেবে বাঁশি দেন রেফারি। স্পট কিক নিতে এসে কোনো ভুল করেননি স্পেন অধিনায়ক মিকেল ওয়ারজাবাল। ২১ মিনিটে ডান পায়ের জোরালো শটে ফ্রান্স গোলরক্ষক মাইক মেনিয়াঁকে পরাস্ত করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। এর আগে ম্যাচের নবম মিনিটে দানি ওলমোকে বক্সের ঠিক বাইরে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন ফরাসি মিডফিল্ডার আদ্রিয়েন রাবিও। সেই ফ্রি-কিক থেকে অবশ্য গোল করতে পারেনি স্পেন। অ্যালেক্স বায়েনার শট দেয়ালে আটকে যায়, পরে ইয়ামালের ক্রসও বিপদমুক্ত করেন দায়ো উপামেকানো। ফ্রান্সও পাল্টা আক্রমণে কয়েকবার স্পেনের রক্ষণে চাপ তৈরি করে। ১৬ মিনিটে ক

পেনাল্টিতে ফ্রান্সের বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে স্পেন

বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে শুরুতেই চাপে ফেলে এগিয়ে গেলো স্পেন। ম্যাচের ২১ মিনিটে মিকেল ওয়ারজাবালের পেনাল্টি গোলে ১-০ ব্যবধানে লিড নিয়েছে বর্তমান ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা।

ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও প্রথম বড় সুযোগটি কাজে লাগায় স্পেন। ২০ মিনিটে বাম প্রান্ত থেকে মার্ক কুকুরেয়ার ক্রস নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করেন ফরাসি ডিফেন্ডার লুকা দিন; কিন্তু বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে তিনি লামিনে ইয়ামালকে জোরে লাথি মেরে বসেন। ঘটনাটি সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টি হিসেবে বাঁশি দেন রেফারি।

স্পট কিক নিতে এসে কোনো ভুল করেননি স্পেন অধিনায়ক মিকেল ওয়ারজাবাল। ২১ মিনিটে ডান পায়ের জোরালো শটে ফ্রান্স গোলরক্ষক মাইক মেনিয়াঁকে পরাস্ত করে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।

এর আগে ম্যাচের নবম মিনিটে দানি ওলমোকে বক্সের ঠিক বাইরে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন ফরাসি মিডফিল্ডার আদ্রিয়েন রাবিও। সেই ফ্রি-কিক থেকে অবশ্য গোল করতে পারেনি স্পেন। অ্যালেক্স বায়েনার শট দেয়ালে আটকে যায়, পরে ইয়ামালের ক্রসও বিপদমুক্ত করেন দায়ো উপামেকানো।

ফ্রান্সও পাল্টা আক্রমণে কয়েকবার স্পেনের রক্ষণে চাপ তৈরি করে। ১৬ মিনিটে কিলিয়ান এমবাপে দ্রুতগতির কাউন্টার অ্যাটাকে এগিয়ে গেলেও পাও কুবারসি ও আয়মেরিক লাপোর্তে দ্রুত ফিরে এসে বিপদ সামাল দেন।

শুরুর ২২ মিনিট শেষে স্পেন ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ফাইনালের পথে গুরুত্বপূর্ণ এক ধাপ এগিয়ে গেলেও ম্যাচে ফেরার জন্য এখনও যথেষ্ট সময় হাতে রয়েছে ফ্রান্সের। দুই ইউরোপীয় পরাশক্তির লড়াইয়ে বাকি সময়েও উত্তেজনা আরও বাড়বে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow