প্যারাগুয়ে গোলরক্ষক হাত বাড়ালেও হ্যান্ডশেক করেননি এমবাপ্পে, তুমুল বিতর্ক
শেষ ষোলোর উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ে প্যারাগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ফ্রান্স। তবে ম্যাচ শেষে জয়সূচক গোলের চেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পের একটি আচরণ। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল এমবাপ্পের সঙ্গে করমর্দনের জন্য হাত বাড়িয়ে দেন। কিন্তু ফরাসি তারকা সেই হাত না মিলিয়ে সতীর্থদের সঙ্গে জয় উদযাপনে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ফুটবলভক্তদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়। পরে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে গিল বলেন, ‘আমি তার সঙ্গে হাত মেলানোর চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু সে আমার দিকে কোনো মনোযোগই দেয়নি। এতে আমি কিছুটা রেগে গিয়েছিলাম। তবে পরে নিজেকে শান্ত করেছি।’ পুরো ম্যাচজুড়েই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিল তীব্র লড়াই। প্যারাগুয়ের ফুটবলারদের কঠোর ট্যাকল ও আক্রমণাত্মক ফুটবলের কারণে একাধিকবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ম্যাচ। তবু ৭০তম মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করে ফ্রান্সকে জয় এনে দেন এমবাপ্পে। বদলি হিসেবে নামা দেজিরে দুয়েকে বক্সের ভেতরে ফাউল করলে প্রথমে খেলা চালিয়ে যেতে বলেন রেফারি। পরে ভিএআরের সহা
শেষ ষোলোর উত্তেজনাপূর্ণ লড়াইয়ে প্যারাগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়ে ২০২৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ফ্রান্স। তবে ম্যাচ শেষে জয়সূচক গোলের চেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে ফরাসি অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পের একটি আচরণ।
ম্যাচ শেষ হওয়ার পর প্যারাগুয়ের গোলরক্ষক অরল্যান্ডো গিল এমবাপ্পের সঙ্গে করমর্দনের জন্য হাত বাড়িয়ে দেন। কিন্তু ফরাসি তারকা সেই হাত না মিলিয়ে সতীর্থদের সঙ্গে জয় উদযাপনে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ফুটবলভক্তদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়।
পরে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে গিল বলেন, ‘আমি তার সঙ্গে হাত মেলানোর চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু সে আমার দিকে কোনো মনোযোগই দেয়নি। এতে আমি কিছুটা রেগে গিয়েছিলাম। তবে পরে নিজেকে শান্ত করেছি।’
পুরো ম্যাচজুড়েই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিল তীব্র লড়াই। প্যারাগুয়ের ফুটবলারদের কঠোর ট্যাকল ও আক্রমণাত্মক ফুটবলের কারণে একাধিকবার উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ম্যাচ। তবু ৭০তম মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করে ফ্রান্সকে জয় এনে দেন এমবাপ্পে।
বদলি হিসেবে নামা দেজিরে দুয়েকে বক্সের ভেতরে ফাউল করলে প্রথমে খেলা চালিয়ে যেতে বলেন রেফারি। পরে ভিএআরের সহায়তায় সিদ্ধান্ত বদলে পেনাল্টি দেন তিনি। স্পটকিক থেকে ঠান্ডা মাথায় বল জালে পাঠিয়ে দলের জয় নিশ্চিত করেন এমবাপ্পে।
এই গোলটি চলতি বিশ্বকাপে এমবাপ্পের সপ্তম। ফলে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে তিনি লিওনেল মেসির সমান সাত গোল নিয়ে যৌথভাবে শীর্ষে উঠে এসেছেন।
কোয়ার্টার ফাইনালে এখন ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ মরক্কো। ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের পর আবারও মুখোমুখি হতে যাচ্ছে দুই দল।
What's Your Reaction?