প্রকাশ্যে দুই হামলাকারীকে থানায় এনে ছেড়ে দিল ওসি
মানিকগঞ্জে চিকিৎসা নিতে এসে হাসপাতালেই হামলার শিকার হয়েছেন ষাট ঊর্ধ্ব এক ব্যক্তি। সিসিটিভি ফুটেজে হামলার দৃশ্য ধরা পড়লেও হামলাকারীরা পুলিশ হেফাজত থেকে ছাড়া পেয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উল্টো আহত ওই বৃদ্ধকেই একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। আহত ব্যক্তি নাসির উদ্দিন দেওয়ান (৬০)। মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার আটিগ্রাম এলাকার বাসিন্দা। জানা গেছে, প্রতিবেশীদের সঙ্গে জমি সংক্রান্ত বিরোধে আহত হয়ে গত মাসের ২৭ তারিখ তিনি চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসেন। কিন্তু হাসপাতালে অবস্থানকালে প্রতিপক্ষের লোকজন সেখানে এসে তার ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। হাসপাতাল এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি প্রকাশ্যে নাসির উদ্দিনের ওপর হামলা চালাচ্ছে। পরে আশপাশের লোকজনের সহযোগিতায় তিনি প্রাণে রক্ষা পান। হামলাকারীরা হলেন, সদর উপজেলার আটিগ্ৰাম এলাকার সবেদ আলীর ছেলে বেনজির আহাম্মেদ (৩৩) এবং আরসেদ দেওয়ানের ছেলে সাইফুল ইসলাম দুলালকে (৪৫)। ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দুই হামলাকারী সহ আহত নাসির উদ্দিনকে থানায় নিয়ে যায়। তবে অভিযোগ উঠ
মানিকগঞ্জে চিকিৎসা নিতে এসে হাসপাতালেই হামলার শিকার হয়েছেন ষাট ঊর্ধ্ব এক ব্যক্তি। সিসিটিভি ফুটেজে হামলার দৃশ্য ধরা পড়লেও হামলাকারীরা পুলিশ হেফাজত থেকে ছাড়া পেয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। উল্টো আহত ওই বৃদ্ধকেই একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এতে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
আহত ব্যক্তি নাসির উদ্দিন দেওয়ান (৬০)। মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার আটিগ্রাম এলাকার বাসিন্দা। জানা গেছে, প্রতিবেশীদের সঙ্গে জমি সংক্রান্ত বিরোধে আহত হয়ে গত মাসের ২৭ তারিখ তিনি চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসেন। কিন্তু হাসপাতালে অবস্থানকালে প্রতিপক্ষের লোকজন সেখানে এসে তার ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
হাসপাতাল এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কয়েকজন ব্যক্তি প্রকাশ্যে নাসির উদ্দিনের ওপর হামলা চালাচ্ছে। পরে আশপাশের লোকজনের সহযোগিতায় তিনি প্রাণে রক্ষা পান।
হামলাকারীরা হলেন, সদর উপজেলার আটিগ্ৰাম এলাকার সবেদ আলীর ছেলে বেনজির আহাম্মেদ (৩৩) এবং আরসেদ দেওয়ানের ছেলে সাইফুল ইসলাম দুলালকে (৪৫)।
ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দুই হামলাকারী সহ আহত নাসির উদ্দিনকে থানায় নিয়ে যায়। তবে অভিযোগ উঠেছে, আটক দুই হামলাকারীকে প্রায় ১০ ঘণ্টা পর গভীর রাতে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অন্যদিকে হামলার শিকার নাসির উদ্দিনকে প্রতিবেশীদের করা জমি সংক্রান্ত একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে জরুরি চিকিৎসা ছাড়াই রাতভর হাজতে রাখা হয়। পরদিন তাকে আদালতে পাঠানো হয়। ওই মামলায় তার পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যকেও আসামি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকে পরিবারটি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে বলে জানা গেছে।
নাসির উদ্দিনের ছেলে বলেন, আমার বাবাকে হাসপাতালে এসে মারধর করেছে। সিসিটিভিতে সবকিছু দেখা যাচ্ছে। তারপরও যারা মারধর করেছে তারা ছাড়া পেয়েছে, উল্টো আমার বাবাকেই জেলে পাঠানো হয়েছে। আইন কি অন্ধ? আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
হাসপাতালে হামলার বিষয়ে পুলিশ আগে থেকে অবগত ছিল না। ঘটনার তিনদিন পর পুলিশ সিসি ফুটেজে মারধরের প্রমাণ পেয়েছেন জানিয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম হোসেন বলেন, জমি নিয়ে এলাকায় বিরোধের ঘটনায় হাসপাতাল থেকে নাসির উদ্দিন সহ আরো দুজনকে আটক করা হয়। বাকি দুই আটককারীদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ না থাকায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
What's Your Reaction?