প্রতিবন্ধী ছাকিনা বেগমের বাড়িতে গিয়ে ঈদ উপহার দিলেন ইউএনও
যশোরের অভয়নগরে প্রতিবন্ধী সংগ্রামী এক নারীকে ঈদ শুভেচ্ছা ও উপহার দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ সালাউদ্দীন দিপু। দুই হাতবিহীন ষাটোর্ধ্ব এ নারী ছাকিনা বেগমের সংগ্রামের গল্প শুনে তার বাড়িতে যান। জানা গেছে, জীবনের ৬০টি বছর পার করা যশোরের অভয়নগর উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের সিংগাড়ী গ্রামের অদম্য সেই নারীর নাম ছাকিনা বেগম। জন্ম থেকে দুই হাত নেই তার। তাই ছোটবেলা থেকে নিজের পা দুটিকে হাতের বিকল্প হিসেবে তৈরি করেছেন। রোববার (১৫ মার্চ) সেই অদম্য নারীর বাড়িতে গিয়ে নগদ অর্থ ও ঈদসামগ্রী উপহার দিলেন অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ সালাউদ্দীন দিপু। এসময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী কর্মকর্তার সহধর্মিণী। ছাকিনা বেগম সিংগাড়ী গ্রামের মৃত শামসুর সরদারের মেয়ে। জানা গেছে, ছাকিনা বেগম ঘরের সব কাজ পা দিয়ে করেন। মাছ ও সবজি কাটা, রান্না করা, চুল বাঁধা, কাপড় পরাসহ সব কাজ পা দিয়ে করতে হয় তাকে। জন্ম থেকে দুই হাত না থাকায় বিয়ে হয়নি তার। যে কারণে কখনো ভাইয়ের বাড়িতে কখনো আবার বোনের বাড়িতে থাকেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ সালাউদ্দীন দিপু বলেন, জন্ম থেকে দুই হাতবিহীন ছাকিনা বেগম সম্পর্কে জানা
যশোরের অভয়নগরে প্রতিবন্ধী সংগ্রামী এক নারীকে ঈদ শুভেচ্ছা ও উপহার দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ সালাউদ্দীন দিপু। দুই হাতবিহীন ষাটোর্ধ্ব এ নারী ছাকিনা বেগমের সংগ্রামের গল্প শুনে তার বাড়িতে যান।
জানা গেছে, জীবনের ৬০টি বছর পার করা যশোরের অভয়নগর উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের সিংগাড়ী গ্রামের অদম্য সেই নারীর নাম ছাকিনা বেগম। জন্ম থেকে দুই হাত নেই তার। তাই ছোটবেলা থেকে নিজের পা দুটিকে হাতের বিকল্প হিসেবে তৈরি করেছেন।
রোববার (১৫ মার্চ) সেই অদম্য নারীর বাড়িতে গিয়ে নগদ অর্থ ও ঈদসামগ্রী উপহার দিলেন অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ সালাউদ্দীন দিপু। এসময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী কর্মকর্তার সহধর্মিণী। ছাকিনা বেগম সিংগাড়ী গ্রামের মৃত শামসুর সরদারের মেয়ে।
জানা গেছে, ছাকিনা বেগম ঘরের সব কাজ পা দিয়ে করেন। মাছ ও সবজি কাটা, রান্না করা, চুল বাঁধা, কাপড় পরাসহ সব কাজ পা দিয়ে করতে হয় তাকে। জন্ম থেকে দুই হাত না থাকায় বিয়ে হয়নি তার। যে কারণে কখনো ভাইয়ের বাড়িতে কখনো আবার বোনের বাড়িতে থাকেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ সালাউদ্দীন দিপু বলেন, জন্ম থেকে দুই হাতবিহীন ছাকিনা বেগম সম্পর্কে জানার পর তার বাড়িতে গিয়েছিলাম। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে সামর্থ্য অনুযায়ী নগদ অর্থ ও ঈদসামগ্রী উপহার হিসেবে তার কাছে পৌঁছে দিয়েছি।
নগদ অর্থ ও ঈদ উপহার পেয়ে ছাকিনা বেগম বলেন, ‘প্রথম কোনো ইউএনও বাড়ি এসে আমার কাছে টাকা ও ঈদ উপহার দিয়ে গেলেন। আমি খুব খুশি হয়েছি।’
মিলন রহমান/আরএইচ/জেআইএম
What's Your Reaction?