প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন আব্দুল বারী

বিএনপি সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন জয়পুরহাটের আব্দুল বারী। তিনি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট-২ (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ১৫০ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শেষে ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, ধানের শীর্ষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আব্দুল বারী পেয়েছেন ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস এম রাশেদুল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯২ হাজার ৫১৭ ভোট। ভোটের হার দাঁড়িয়েছে ৭৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ, যা ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়। এ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৫১ হাজার ৫৭২ জন। এর মধ্যে ২ লাখ ৫৮ হাজার ১৬০টি ভোট প্রদান করা হয়। বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৫২ হাজার ১৩৭ এবং বাতিল ভোটের সংখ্যা ছিল ৬ হাজার ২৩। প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুরজুড়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। অনেকেই এটিকে জেলার জন্য গর্বের মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে জয়পুরহাটের উন্নয়ন কার্যক্রম

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন আব্দুল বারী

বিএনপি সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান পেয়েছেন জয়পুরহাটের আব্দুল বারী। তিনি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট-২ (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) আসন থেকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। ১৫০ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শেষে ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, ধানের শীর্ষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে আব্দুল বারী পেয়েছেন ১ লাখ ৫৮ হাজার ৬৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস এম রাশেদুল আলম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯২ হাজার ৫১৭ ভোট।

ভোটের হার দাঁড়িয়েছে ৭৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ, যা ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণের ইঙ্গিত দেয়।

এ আসনে মোট ভোটার ছিলেন ৩ লাখ ৫১ হাজার ৫৭২ জন। এর মধ্যে ২ লাখ ৫৮ হাজার ১৬০টি ভোট প্রদান করা হয়। বৈধ ভোটের সংখ্যা ২ লাখ ৫২ হাজার ১৩৭ এবং বাতিল ভোটের সংখ্যা ছিল ৬ হাজার ২৩।

প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুরজুড়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। অনেকেই এটিকে জেলার জন্য গর্বের মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে জয়পুরহাটের উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং অবকাঠামো, শিক্ষা, কৃষি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলজার হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন পর জয়পুরহাট বাসী একজন মন্ত্রী পেলেন। এতে অবহেলিত জয়পুরহাটের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু রায়হান উজ্জল প্রধান বলেন, আব্দুল বারী সাহেব মন্ত্রী হওয়ায় জয়পুরহাট সাধারণ মানুষের মাঝে বিএনপির ইমেজ বৃদ্ধি পেয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow