প্রতিহিংসা নয়, নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাই বিএনপির লক্ষ্য: হাবিব

ঢাকা-৯ আসনের বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেছেন, বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য প্রতিহিংসা নয় বরং নাগরিক অধিকার ও মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, ঢাকা-৯ আসন দীর্ঘদিন ধরে নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত একটি এলাকা। এই এলাকাকে নতুনভাবে গড়ে তুলতেই আমি রাজনীতিতে এসেছি। শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর মান্ডা ট্রাকস্ট্যান্ডে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি জনসভায় এ কথা বলেন হাবিবুর রশিদ হাবিব। হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি রাজনীতি করছি। পাশাপাশি বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা, জাতীয় পতাকা ও মানচিত্রের জন্য জীবন দেওয়া লাখো শহীদ, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে নিহত সহযোদ্ধা এবং সর্বশেষ শহীদ শরিফ ওসমান হাদির আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, আমি দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে এ এলাকার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং ৫৩ বছর ধরে এখানেই বেড়ে ওঠেছি। অলিগলি ঘুরে মানুষের ভালোবাসা ও স্নেহ নিয়ে রাজনীতি করছি। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যুদ্ধ

প্রতিহিংসা নয়, নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাই বিএনপির লক্ষ্য: হাবিব

ঢাকা-৯ আসনের বিএনপির প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেছেন, বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য প্রতিহিংসা নয় বরং নাগরিক অধিকার ও মৌলিক সুবিধা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, ঢাকা-৯ আসন দীর্ঘদিন ধরে নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত একটি এলাকা। এই এলাকাকে নতুনভাবে গড়ে তুলতেই আমি রাজনীতিতে এসেছি।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) রাজধানীর মান্ডা ট্রাকস্ট্যান্ডে অনুষ্ঠিত নির্বাচনি জনসভায় এ কথা বলেন হাবিবুর রশিদ হাবিব।

হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে আমি রাজনীতি করছি। পাশাপাশি বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা, জাতীয় পতাকা ও মানচিত্রের জন্য জীবন দেওয়া লাখো শহীদ, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে নিহত সহযোদ্ধা এবং সর্বশেষ শহীদ শরিফ ওসমান হাদির আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

শহীদ শরিফ ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, আমি দীর্ঘ ৩৮ বছর ধরে এ এলাকার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এবং ৫৩ বছর ধরে এখানেই বেড়ে ওঠেছি। অলিগলি ঘুরে মানুষের ভালোবাসা ও স্নেহ নিয়ে রাজনীতি করছি।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীনতা, পতাকা ও মানচিত্র উপহার দিয়েছেন। আর বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের মানুষের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য নিজের পরিবার, ঘরবাড়ি ও জীবন উৎসর্গ করেছেন। মিথ্যা মামলায় কারাবরণ ও বিনা চিকিৎসায় তার জীবন বিপন্ন হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে যোগ্য পিতা-মাতার যোগ্য উত্তরসূরি উল্লেখ করে হাবিব বলেন, ৩১ দফার ভিত্তিতে আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান তারেক রহমান। আমি নিজেও সেই ৩১ দফা ঢাকা-৯ এলাকায় বাস্তবায়নের অঙ্গীকার করছি।

ঢাকা-৯ এলাকার সমস্যার কথা তুলে ধরে হাবিব বলেন, এ এলাকার মানুষ পানি, গ্যাস, জলাবদ্ধতা, শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবাসহ নানামুখী সংকটে ভুগছে। ভালো স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, খেলার মাঠ ও কবরস্থানের অভাব রয়েছে। গ্যাস সংকটের কারণে মা-বোনদের রাত জেগে রান্না করতে হয়।

তিনি বলেন, শুধু ভোটের সময় যারা এলাকায় আসে তাদের ভোট না দেওয়ার যে কথা বলা হয়, সেটার সঙ্গে তিনি একমত। তবে তিনি দাবি করেন, বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে মানুষের পাশে ছিল। সে বিবেচনা এক টি করে ভোট প্রত্যাশা করেন।

আগামী দিনে দল ক্ষমতায় এলে এলাকার সমস্যাগুলোর সমাধানের জন্য দলীয় ফোরামে জোরালোভাবে দাবি তোলা হবে জানিয়ে হাবিব বলেন, ঢাকা-৯-কে তারেক রহমানের নেতৃত্বে গড়ে তোলা হবে। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, এই এলাকায় কোনো প্রতিহিংসার রাজনীতি হবে না, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত এলাকা গড়ে তোলা হবে। দলের কোনো নেতাকর্মী এসব অপকর্মে জড়িত হলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আইনের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

হাবিবুর রশিদ হাবিব বলেন, ইনশাআল্লাহ আগামী দিনে ঢাকা-৯ এলাকাকে একটি মানবিক, নিরাপদ, সম্প্রীতির ও গণতান্ত্রিক এলাকা হিসেবে গড়ে তোলা হবে। তিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এলাকার উন্নয়নে কাজ করার আহ্বান জানান।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম ও দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীরা।

কেএইচ/এমএএইচ/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow