প্রথম ভোটে রোমাঞ্চিত তিন তারকা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দেশজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও শামিল হয়েছেন এই গণতন্ত্রের উৎসবে। এবার ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছেন অনেক নতুন মুখ। তাদেরই একজন সুনেরাহ্ বিনতে কামাল, অন্য দুজন জান্নাতুল ঐশী ও সাদিয়া আয়মান। অভিনয়ে নিজেদের অবস্থান তৈরি করা এই তিন তরুণ তুর্কির কাছে প্রথম ভোট মানে শুধু একটি দায়িত্ব নয়, বরং ভবিষ্যতের বাংলাদেশের জন্য নিজের মত প্রকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। ঢাকার ভোটার সুনেরাহ বিনতে কামাল রাজনীতির জটিল সমীকরণে না গিয়ে সাধারণ মানুষের স্বস্তির ওপর জোর দিয়েছেন। প্রথমবারের মতো ভোট দিতে যাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমি রাজনীতির এত কিছু বুঝি না। তবে আমার দেশটা ভালো থাকুক, সেটাই চাই। একজন সাধারণ নাগরিকের জীবনে স্বস্তি আসুক, মানুষ মানসিকভাবে শান্তিতে থাকুক। সব জায়গায় শৃঙ্খলা ফেরার পাশাপাশি সৃজনশীলসহ প্রতিটি সেক্টর এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা তার। পিরোজপুরে বাড়ি হলেও চিত্রনায়িকা জান্নাতুল ঐশী ভোট দেবেন ঢাকায়। দেশের সাম্প্রতিক অস্থিরতা দূর করে শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবি তার কণ্ঠে। ঐশী বলেন, নির্বাচিত সরকারের কাছে আমাদের
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে দেশজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি শোবিজ অঙ্গনের তারকারাও শামিল হয়েছেন এই গণতন্ত্রের উৎসবে। এবার ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছেন অনেক নতুন মুখ। তাদেরই একজন সুনেরাহ্ বিনতে কামাল, অন্য দুজন জান্নাতুল ঐশী ও সাদিয়া আয়মান। অভিনয়ে নিজেদের অবস্থান তৈরি করা এই তিন তরুণ তুর্কির কাছে প্রথম ভোট মানে শুধু একটি দায়িত্ব নয়, বরং ভবিষ্যতের বাংলাদেশের জন্য নিজের মত প্রকাশের এক গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।
ঢাকার ভোটার সুনেরাহ বিনতে কামাল রাজনীতির জটিল সমীকরণে না গিয়ে সাধারণ মানুষের স্বস্তির ওপর জোর দিয়েছেন। প্রথমবারের মতো ভোট দিতে যাওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমি রাজনীতির এত কিছু বুঝি না। তবে আমার দেশটা ভালো থাকুক, সেটাই চাই। একজন সাধারণ নাগরিকের জীবনে স্বস্তি আসুক, মানুষ মানসিকভাবে শান্তিতে থাকুক। সব জায়গায় শৃঙ্খলা ফেরার পাশাপাশি সৃজনশীলসহ প্রতিটি সেক্টর এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা তার।
পিরোজপুরে বাড়ি হলেও চিত্রনায়িকা জান্নাতুল ঐশী ভোট দেবেন ঢাকায়। দেশের সাম্প্রতিক অস্থিরতা দূর করে শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবি তার কণ্ঠে। ঐশী বলেন, নির্বাচিত সরকারের কাছে আমাদের বহু প্রত্যাশা নেই, কিন্তু আমাদের স্বস্তি দরকার, শান্তি দরকার। সংবিধানমতো দেশ চলুক, সেটাই চাই। বেকারত্ব দূরীকরণে ও কর্মসংস্থান তৈরিতে নতুন সরকার গুরুত্ব দিয়ে কাজ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অন্যদিকে বরিশালের ভোটার অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান অগ্রাধিকার দিয়েছেন নিরাপত্তাকে। তিনি বলেন, প্রথমত নিরাপদ দেশ চাই। সবাই যেন নিরাপদে থাকেন, নিরাপদে চলাচল করতে পারেন, এটাই প্রত্যাশা। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, দিন শেষে আমরা তো মানুষ, তাই জীবনের নিরাপত্তাই সবার আগে। প্রথম ভোটের উত্তেজনায় এই তিন অভিনেত্রী যেমন উচ্ছ্বসিত, তেমনি তাদের কথায় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে তরুণ প্রজন্মের চাওয়া-পাওয়া। শান্তি, নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান ও সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশই তাদের প্রধান প্রত্যাশা।
What's Your Reaction?