প্রথমার্ধে রোমাঞ্চকর লড়াই, গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে স্পেন-পর্তুগাল
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার হাইভোল্টেজ ম্যাচে প্রথমার্ধের খেলা শেষে গোলশূন্য সমতায় রয়েছে দুই পরাশক্তি স্পেন ও পর্তুগাল।
ম্যাচের প্রথম ৪৫ মিনিটে আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে ম্যাচটি বেশ জমে উঠলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই।
ম্যাচের শুরু থেকেই পর্তুগালের চেয়ে স্পেনের আক্রমণভাগের ধার কিছুটা বেশি ছিল। বেশ কয়েকটি নিশ্চিত সুযোগ তৈরি করেছিল দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। তবে ফরোয়ার্ডদের ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতায় লিড নেওয়া হয়নি স্প্যানিশদের। বিশেষ করে ম্যাচের ৯ মিনিটে গোল করার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। পর্তুগিজ গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল জালের বাইরে মারেন এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।
প্রথমার্ধে নিচে নেমে পর্তুগালের আক্রমণ তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখতে দেখা গেছে অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে। বক্সের ভেতরেও বেশ সক্রিয় ছিলেন ৩৯ বছর বয়সী এই সুপারস্টার।
ম্যাচের একটি আকর্ষণীয় মুহূর্তে রোনালদোর পাসে বল পেয়ে জোয়াও ফেলিক্সের নেওয়া হেড চমৎকারভাবে ফিরিয়ে দেন স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমন। এরপর রিবাউন্ডে বক্সের ভেতর থেকে রোনালদো নিজে একটি চমৎকার অ্যাক্রোবেটিক শট নিলেও তা দারুণ দক্ষতায় নস্যাৎ করে দেন স
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার হাইভোল্টেজ ম্যাচে প্রথমার্ধের খেলা শেষে গোলশূন্য সমতায় রয়েছে দুই পরাশক্তি স্পেন ও পর্তুগাল।
ম্যাচের প্রথম ৪৫ মিনিটে আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে ম্যাচটি বেশ জমে উঠলেও কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই।
ম্যাচের শুরু থেকেই পর্তুগালের চেয়ে স্পেনের আক্রমণভাগের ধার কিছুটা বেশি ছিল। বেশ কয়েকটি নিশ্চিত সুযোগ তৈরি করেছিল দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। তবে ফরোয়ার্ডদের ফিনিশিংয়ের ব্যর্থতায় লিড নেওয়া হয়নি স্প্যানিশদের। বিশেষ করে ম্যাচের ৯ মিনিটে গোল করার সুবর্ণ সুযোগ হাতছাড়া করেন মিকেল ওইয়ারসাবাল। পর্তুগিজ গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল জালের বাইরে মারেন এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।
প্রথমার্ধে নিচে নেমে পর্তুগালের আক্রমণ তৈরিতে বড় ভূমিকা রাখতে দেখা গেছে অধিনায়ক ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে। বক্সের ভেতরেও বেশ সক্রিয় ছিলেন ৩৯ বছর বয়সী এই সুপারস্টার।
ম্যাচের একটি আকর্ষণীয় মুহূর্তে রোনালদোর পাসে বল পেয়ে জোয়াও ফেলিক্সের নেওয়া হেড চমৎকারভাবে ফিরিয়ে দেন স্প্যানিশ গোলরক্ষক উনাই সিমন। এরপর রিবাউন্ডে বক্সের ভেতর থেকে রোনালদো নিজে একটি চমৎকার অ্যাক্রোবেটিক শট নিলেও তা দারুণ দক্ষতায় নস্যাৎ করে দেন সিমন। ফলে প্রথমার্ধে আর ডেডলক ভাঙা সম্ভব হয়নি।