প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর তীব্র চাপেও অনড় স্টারমার

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার নিজ দলের ভেতর থেকেই পদত্যাগের সময়সূচি ঘোষণার জন্য ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে পড়েছেন। অ্যান্ডি বার্নহ্যাম মেকারফিল্ড উপনির্বাচনে বড় জয় পাওয়ার পর লেবার পার্টির নেতৃত্ব পরিবর্তনের আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। খবর বিবিসির।  দলটির একাধিক এমপি স্টারমারকে আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব প্রতিযোগিতা ছাড়াই ক্ষমতা বার্নহ্যামের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা ঘোষণা করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, এতে দলীয় বিভক্তি ও দীর্ঘ নেতৃত্ব সংকট এড়ানো সম্ভব হবে। তবে স্টারমার স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি কোনো চ্যালেঞ্জ থেকে সরে দাঁড়াবেন না। তিনি বলেন, যদি নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা হয়, আমি অংশ নেব। আমি দায়িত্ব ছেড়ে চলে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা করছি না। বার্নহ্যামের ঘনিষ্ঠরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তিনি যেন সপ্তাহান্তে বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করেন এবং মন্ত্রিসভার সদস্য, এমপি ও পরিবারের মতামত বিবেচনায় নেন। খবর অনুযায়ী, শুক্রবার স্টারমার মন্ত্রিসভার বিভিন্ন সদস্যের সঙ্গে ফোনে কথা বলে নিজের প্রতি সমর্থনের মাত্রা যাচাই করেন। এ সময় পরিবহনমন্ত্রী হাইডি আলেকজান্ডার তাকে পদত্যাগের একটি সম

প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর তীব্র চাপেও অনড় স্টারমার
যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার নিজ দলের ভেতর থেকেই পদত্যাগের সময়সূচি ঘোষণার জন্য ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে পড়েছেন। অ্যান্ডি বার্নহ্যাম মেকারফিল্ড উপনির্বাচনে বড় জয় পাওয়ার পর লেবার পার্টির নেতৃত্ব পরিবর্তনের আলোচনা আরও জোরালো হয়েছে। খবর বিবিসির।  দলটির একাধিক এমপি স্টারমারকে আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব প্রতিযোগিতা ছাড়াই ক্ষমতা বার্নহ্যামের কাছে হস্তান্তরের পরিকল্পনা ঘোষণা করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের মতে, এতে দলীয় বিভক্তি ও দীর্ঘ নেতৃত্ব সংকট এড়ানো সম্ভব হবে। তবে স্টারমার স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তিনি কোনো চ্যালেঞ্জ থেকে সরে দাঁড়াবেন না। তিনি বলেন, যদি নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা হয়, আমি অংশ নেব। আমি দায়িত্ব ছেড়ে চলে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা করছি না। বার্নহ্যামের ঘনিষ্ঠরা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তিনি যেন সপ্তাহান্তে বিষয়টি নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করেন এবং মন্ত্রিসভার সদস্য, এমপি ও পরিবারের মতামত বিবেচনায় নেন। খবর অনুযায়ী, শুক্রবার স্টারমার মন্ত্রিসভার বিভিন্ন সদস্যের সঙ্গে ফোনে কথা বলে নিজের প্রতি সমর্থনের মাত্রা যাচাই করেন। এ সময় পরিবহনমন্ত্রী হাইডি আলেকজান্ডার তাকে পদত্যাগের একটি সময়সূচি নির্ধারণের পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। যদিও তার দপ্তর এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। অন্যদিকে, অর্থমন্ত্রী র‍্যাচেল রিভস প্রধানমন্ত্রীর প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন। গত মাসে স্থানীয় নির্বাচনে লেবার পার্টির হতাশাজনক ফলাফলের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ এবং জ্বালানিমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড-সহ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রীও স্টারমারের পদত্যাগের সময়সূচি নির্ধারণের আহ্বান জানিয়েছিলেন বলে জানা গেছে। সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের মধ্যে ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের নামও আলোচনায় রয়েছে। তবে বার্নহ্যাম ও স্ট্রিটিং, উভয় পক্ষই গণমাধ্যমে কোনো সাক্ষাৎকার না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী মঙ্গলবার অনুষ্ঠিতব্য মন্ত্রিসভার বৈঠক স্টারমারের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে প্রধানমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন, তিনি দুই বছর আগে সাধারণ নির্বাচনে পাওয়া জনসমর্থনের ভিত্তিতেই দায়িত্ব পালন করছেন। অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা এবং অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের জন্য তার এখনো অনেক কাজ বাকি রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow