প্রবাসীর স্ত্রীর আলমারি থেকে আটক স্কুল দপ্তরি, ভিডিও ভাইরাল
সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের বড় খারদিয়া এলাকায় গভীর রাতে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরের আলমারির ভেতর থেকে মো. আজাদ শেখ (৩৫) নামে এক স্কুল দপ্তরিকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। মঙ্গলবার (৬ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে তাকে ছাড়িয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। এ ঘটনার ৫৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, খালি গায়ে আলমারির ভেতরে লুকিয়ে আছেন আজাদ শেখ। কয়েকজন যুবক তাকে আলমারি থেকে বের করার চেষ্টা করছেন। এ সময় উপস্থিত অনেককে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করতেও দেখা যায়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। আটক মো. আজাদ শেখ বড় খারদিয়া গ্রামের বর শেখের ছেলে। তিনি বড় খারদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-এ দপ্তরি হিসেবে কর্মরত। স্থানীয়দের দাবি, ওই প্রবাসীর স্ত্রীর ছেলেকে স্কুলে আনা-নেওয়ার সূত্র ধরে আজাদের সঙ্গে ওই নারীর পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, প্রায়ই গভীর রাতে ওই নারীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন আজাদ। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা নজরদারি শুরু করেন। মঙ্গল
সালথা উপজেলার যদুনন্দী ইউনিয়নের বড় খারদিয়া এলাকায় গভীর রাতে এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঘরের আলমারির ভেতর থেকে মো. আজাদ শেখ (৩৫) নামে এক স্কুল দপ্তরিকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। মঙ্গলবার (৬ মে) দিবাগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে তাকে ছাড়িয়ে নেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।
এ ঘটনার ৫৫ সেকেন্ডের একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, খালি গায়ে আলমারির ভেতরে লুকিয়ে আছেন আজাদ শেখ। কয়েকজন যুবক তাকে আলমারি থেকে বের করার চেষ্টা করছেন। এ সময় উপস্থিত অনেককে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করতেও দেখা যায়। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
আটক মো. আজাদ শেখ বড় খারদিয়া গ্রামের বর শেখের ছেলে। তিনি বড় খারদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়-এ দপ্তরি হিসেবে কর্মরত।
স্থানীয়দের দাবি, ওই প্রবাসীর স্ত্রীর ছেলেকে স্কুলে আনা-নেওয়ার সূত্র ধরে আজাদের সঙ্গে ওই নারীর পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে পরকীয়ার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, প্রায়ই গভীর রাতে ওই নারীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন আজাদ। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয়রা নজরদারি শুরু করেন। মঙ্গলবার গভীর রাতে তিনি ওই নারীর ঘরে প্রবেশ করলে স্থানীয়রা বাড়িটি ঘিরে ফেলেন এবং তল্লাশি চালিয়ে আলমারির ভেতর লুকিয়ে থাকা অবস্থায় তাকে আটক করেন।
তবে পরে তাকে পুলিশের কাছে না দিয়ে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে ছেড়ে দেয় বলে অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে প্রবাসীর স্ত্রী বলেন, পাশের বাড়িতে মৃত্যুর খবর শুনে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। বাড়িতে ফিরে এসে দেখেন আজাদ ঘরের ভেতরে। এ সময় বাইরে লোকজন জড়ো হলে ভয় পেয়ে আজাদ আলমারিতে লুকিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয়রা এসে তাকে আটক করেন।
যদিও স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ইরন দাবি করেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং সব অভিযোগ ভিত্তিহীন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করারও অনুরোধ জানান তিনি।
এ বিষয়ে মোরশেদা খান লিমা বলেন, আজাদের স্ত্রী ফোন করে তার ছুটির আবেদন করেছিলেন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে ঘটনা জানতে পেরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।
সালথা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. তামেম উদ্দিন জানান, তিনি বর্তমানে প্রশিক্ষণে রয়েছেন। রোববার অফিসে ফিরে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে মো. দবির উদ্দিন বলেন, এ ঘটনায় মামলা হলে এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে আজাদ শেখের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে তাকে সাময়িক বরখাস্তও করা হতে পারে।
What's Your Reaction?