প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পুলিশ হেফাজতে স্বামী

পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের চিথলিয়া এলাকায় পাপিয়া খাতুন (৩৪) নামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে স্বামীর বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামী হুমায়ুন কবীর সরদারকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেন পাবনা সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সঞ্জয় কুমার সাহা। নিহত পাপিয়া খাতুন ওই এলাকার সৌদিপ্রবাসী হুমায়ুন কবীরের স্ত্রী এবং প্রতিবেশী আব্দুর রশিদ শেখের মেয়ে। তিনি এক মেয়ে ও এক ছেলের জননী ছিলেন। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০ বছর আগে পারিবারিকভাবে হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে পাপিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর হুমায়ুন কাজের সন্ধানে সৌদি আরবে যান। ঈদুল আজহার আগে তিনি ছুটিতে বাড়ি আসেন। তবে এরই মধ্যে হুমায়ুন অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি সম্প্রতি জানাজানি হলে পরিবারে কলহ সৃষ্টি হয়। এর জেরে গতকাল মঙ্গলবারও পরিবারের মধ্যে ঝগড়া ও মারামারি হয়। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পাপিয়া ওয়াশিং মেশিনে কাপড় ধুয়ে বাড়ির ছাদে শুকাতে দেন। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। কিছু সময়

প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, পুলিশ হেফাজতে স্বামী

পাবনা সদর উপজেলার দোগাছী ইউনিয়নের চিথলিয়া এলাকায় পাপিয়া খাতুন (৩৪) নামের এক প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে স্বামীর বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামী হুমায়ুন কবীর সরদারকে হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন পাবনা সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) সঞ্জয় কুমার সাহা।

নিহত পাপিয়া খাতুন ওই এলাকার সৌদিপ্রবাসী হুমায়ুন কবীরের স্ত্রী এবং প্রতিবেশী আব্দুর রশিদ শেখের মেয়ে। তিনি এক মেয়ে ও এক ছেলের জননী ছিলেন।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০ বছর আগে পারিবারিকভাবে হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে পাপিয়ার বিয়ে হয়। বিয়ের পর হুমায়ুন কাজের সন্ধানে সৌদি আরবে যান। ঈদুল আজহার আগে তিনি ছুটিতে বাড়ি আসেন। তবে এরই মধ্যে হুমায়ুন অন্য একটি মেয়ের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি সম্প্রতি জানাজানি হলে পরিবারে কলহ সৃষ্টি হয়। এর জেরে গতকাল মঙ্গলবারও পরিবারের মধ্যে ঝগড়া ও মারামারি হয়।

বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পাপিয়া ওয়াশিং মেশিনে কাপড় ধুয়ে বাড়ির ছাদে শুকাতে দেন। এরপর থেকে তাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। কিছু সময় পর নিজ কক্ষের দরজা ভেঙে ঘরের ভেতর পাপিয়াকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্বজনরা। পরে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

নিহত পাপিয়ার চাচা আসলাম হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‌‘আমার ভাতিজি অত্যন্ত ধার্মিক ও ভালো মনের মানুষ ছিল। সে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ত, পর্দায় চলত। সে কোনোভাবেই আত্মহত্যা করতে পারে না। এর পেছনে অন্য কোনো ঘটনা রয়েছে।’

পাপিয়ার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

পাবনা সদর থানা পরিদর্শক (অপারেশন) সঞ্জয় কুমার সাহা বলেন, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের স্বামীকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

আলমগীর হোসাইন নাবিল/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow