প্রবাসীর স্ত্রীসহ দুই শিশুকে জবাই করে হত্যা
কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলায় সৌদিপ্রবাসীর স্ত্রী-সন্তানসহ ৩ জনকে জবাই করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে উপজেলার ঘারমোড়া ইউনিয়নের মনিপুর গ্রামের উওরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- মনিপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী পাপিয়া আক্তার সুখী (৩২), তার ছেলে হোসাইন (৪) ও জহিরুলের ভাই সৌদি প্রবাসী সাত্তারের ছেলে জোবায়ের (৫)। একই পরিবারের ৩জন নিহতের ঘটনায় সকাল থেকেই আশপাশের লোকজন ওই বাড়িতে ভীড় জমান। এসময় স্বজনদের কান্নায় পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সৌদি প্রবাসী জহিরুলের স্ত্রী পাপিয়া আক্তার সুখী তার ছেলে সন্তানকে নিয়ে মনিপুর গ্রামে স্বামীর বাড়িতে থাকতেন। সোমবার রাতের খাবার খেয়ে তারা ঘুমিয়েছিলেন। রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা তাদেরকে জবাই করে হত্যা করে ফ্লোরে লাশ ফেলে রাখে চলে যায়। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিহত জোবায়েরের ভাই তাকে ডাকতে যায়, ডাকাডাকির পর কোনা সাঁড়া না পেয়ে সে তার মাকে গিয়ে বিষয়টি জানায়। পরে তার মা এসে ঘরের দরজা খুলে ভিতরে গিয়ে দেখে তার সন্তান (জোবায়ের), জা ও ভাতিজা রক্তাক্ত অবস্থায় ফ্লোরে পড়ে আছে।
কুমিল্লা জেলার হোমনা উপজেলায় সৌদিপ্রবাসীর স্ত্রী-সন্তানসহ ৩ জনকে জবাই করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে উপজেলার ঘারমোড়া ইউনিয়নের মনিপুর গ্রামের উওরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- মনিপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসী জহিরুল ইসলামের স্ত্রী পাপিয়া আক্তার সুখী (৩২), তার ছেলে হোসাইন (৪) ও জহিরুলের ভাই সৌদি প্রবাসী সাত্তারের ছেলে জোবায়ের (৫)। একই পরিবারের ৩জন নিহতের ঘটনায় সকাল থেকেই আশপাশের লোকজন ওই বাড়িতে ভীড় জমান। এসময় স্বজনদের কান্নায় পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সৌদি প্রবাসী জহিরুলের স্ত্রী পাপিয়া আক্তার সুখী তার ছেলে সন্তানকে নিয়ে মনিপুর গ্রামে স্বামীর বাড়িতে থাকতেন। সোমবার রাতের খাবার খেয়ে তারা ঘুমিয়েছিলেন। রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা তাদেরকে জবাই করে হত্যা করে ফ্লোরে লাশ ফেলে রাখে চলে যায়। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে নিহত জোবায়েরের ভাই তাকে ডাকতে যায়, ডাকাডাকির পর কোনা সাঁড়া না পেয়ে সে তার মাকে গিয়ে বিষয়টি জানায়। পরে তার মা এসে ঘরের দরজা খুলে ভিতরে গিয়ে দেখে তার সন্তান (জোবায়ের), জা ও ভাতিজা রক্তাক্ত অবস্থায় ফ্লোরে পড়ে আছে। এসময় তার চিৎকারে আশেপাশে লোকজন ছুটে আসে। পরবর্তীতে খবর পেয়ে ঘটানাস্থলে আসে পুলিশ।
নিহত জোবায়েরের মা লিপি আক্তার জানান, আমার ছেলে প্রায়ই তার চাচির ঘরে থাকত। আজ সকালে আমার অন্য ছেলেকে পাঠাই তাকে ডাকতে। তার ডাকে সাড়া না দেওয়ায় পরে আমি নিজে গিয়ে দেখি আমার ছেলে রক্তাক্ত অবস্থায় ফ্লোরে পড়ে আছে। আর অন্য রুমে গিয়ে দেখি আমার জা ও ভাতিজা মেঝেতে পড়ে আছে। আমি চিল্লাচিল্লি শুরু করলে বাড়ির লোকজন ছুটে আসে। যারা এই খুন করেছে আমি তাদের ফাঁসি চাই।
হোমনা থানার ওসি মোরশেদুল আলম জানান, কী কারণে বা কারা এই হত্যা করেছে, তা আমরা এখনো নিশ্চিত নই। ঘটনাস্থল থেকে একটি ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করছি।
What's Your Reaction?