প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি রক্ষার এখনই সময়
কদিন আগেই মালদ্বীপের একটি হোটেলে মতবিনিময় ও কফি আড্ডার আয়োজন করা হয়। এ সময় মালদ্বীপস্থ ‘ঢাকা ট্রেডার্স’-এর কর্ণধার ও দেশটির বিএনপির সহ-সভাপতি মো. বাবুল হোসেনের সৌজন্য সভায় প্রবাসের সমসাময়িক নানা সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপ শাখা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি ফারুক হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান কালাম, সাংবাদিক আলামিন এবং বিএনপি সমর্থক শাহিন ভাইসহ স্থানীয় প্রবাসী নেতারা। সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে পারস্পরিক খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি আমরা কিছু চমৎকার মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী করি। তবে এই আন্তরিক মেলবন্ধনের আড়ালে আমাদের আলোচনায় উঠে আসে একটি গভীর উদ্বেগের বিষয়—মালদ্বীপে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের সাম্প্রতিক কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি। বিগত কিছুদিন ধরে মালদ্বীপে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের মধ্যে কিছু বিচ্ছিন্ন মারামারি ও অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যা আমাদের গভীরভাবে ব্যথিত ও চিন্তিত করেছে। এই ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনাগুলো শুধু নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠীগত ক্ষয়ক্ষতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং প্রবাসের মাটিতে আমা
কদিন আগেই মালদ্বীপের একটি হোটেলে মতবিনিময় ও কফি আড্ডার আয়োজন করা হয়। এ সময় মালদ্বীপস্থ ‘ঢাকা ট্রেডার্স’-এর কর্ণধার ও দেশটির বিএনপির সহ-সভাপতি মো. বাবুল হোসেনের সৌজন্য সভায় প্রবাসের সমসাময়িক নানা সংকট ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন মালদ্বীপ শাখা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি ফারুক হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান কালাম, সাংবাদিক আলামিন এবং বিএনপি সমর্থক শাহিন ভাইসহ স্থানীয় প্রবাসী নেতারা।
সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে পারস্পরিক খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি আমরা কিছু চমৎকার মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী করি। তবে এই আন্তরিক মেলবন্ধনের আড়ালে আমাদের আলোচনায় উঠে আসে একটি গভীর উদ্বেগের বিষয়—মালদ্বীপে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের সাম্প্রতিক কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি।
বিগত কিছুদিন ধরে মালদ্বীপে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের মধ্যে কিছু বিচ্ছিন্ন মারামারি ও অনাকাঙ্ক্ষিত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যা আমাদের গভীরভাবে ব্যথিত ও চিন্তিত করেছে। এই ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনাগুলো শুধু নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তি বা গোষ্ঠীগত ক্ষয়ক্ষতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; বরং প্রবাসের মাটিতে আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সুনামের ওপর প্রচণ্ড নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। স্থানীয় প্রশাসন ও জনগণের চোখে সামগ্রিকভাবে সব বাংলাদেশির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়।
আমাদের সবসময় মনে রাখতে হবে, প্রবাসে অবস্থানরত প্রতিটি বাংলাদেশি নাগরিকই দেশের একেকজন দূত বা প্রতিনিধি। আমাদের প্রতিটি আচার-ব্যবহার, শৃঙ্খলা এবং কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেই বিদেশিরা বাংলাদেশকে মূল্যায়ন করে। তাই ব্যক্তিগত মতপার্থক্য, রাজনৈতিক ভিন্নতা কিংবা ক্ষুদ্র স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখা এখন সময়ের দাবি।
একই সাথে, আমরা যে দেশেই জীবিকার তাগিদে থাকি না কেন, সেই দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি শতভাগ শ্রদ্ধাশীল থেকে চলা আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব।
আজকের এই সংকটক্ষণে আমাদের সবার একটাই অঙ্গীকার হওয়া উচিত—বিভেদ নয়, ঐক্যকে বেছে নেওয়া। সংঘাত ও উগ্রতার পথ পরিহার করে সর্বত্র সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া।
আসুন, আমরা দল-মত নির্বিশেষে সবাই মিলে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রবাসে একটি সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও মর্যাদাপূর্ণ বাংলাদেশি সমাজ গড়ে তুলি—যা বিশ্ব দরবারে আমাদের দেশের গর্ব ও সম্মানের প্রতীক হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।
এমআরএম
What's Your Reaction?