প্রবাসে বাংলার ঐতিহ্যের মিলনমেলা, সিডনিতে জামালপুর-শেরপুর অ্যাসোসিয়েশনের পিঠা উৎসব

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রাণের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল জামালপুর-শেরপুর অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়া (জেএসএএ) আয়োজিত ‘পিঠা উৎসব ২০২৬’।  স্থানীয় সময় শনিবার (১১ জুলাই) সিডনির গ্লেনফিল্ড কমিউনিটি হলে অনুষ্ঠিত এ উৎসবে জামালপুর ও শেরপুর অঞ্চলের প্রবাসীদের পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার বিপুলসংখ্যক প্রবাসী অংশ নেন। সকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পরে শুরু হয় ঐতিহ্যবাহী পিঠা প্রদর্শনী ও পরিবেশন। ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা, পুলি, পাকনসহ নানা ধরনের দেশীয় পিঠার সমারোহে উৎসবস্থল প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। আয়োজকদের ভাষ্য, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতি ও খাদ্য ঐতিহ্য তুলে ধরা এবং কমিউনিটির সদস্যদের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করাই এ উৎসবের মূল উদ্দেশ্য। পিঠা উৎসবের পাশাপাশি পরিচিতি পর্ব, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মধ্যাহ্নভোজ ও মিষ্টান্ন পরিবেশনের আয়োজন করা হয়। দুপুরে নামাজের বিরতির পর আবার শুরু হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এতে কমিউনিটির শিল্পীরা গান, আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশন কর

প্রবাসে বাংলার ঐতিহ্যের মিলনমেলা, সিডনিতে জামালপুর-শেরপুর অ্যাসোসিয়েশনের পিঠা উৎসব

অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রাণের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছিল জামালপুর-শেরপুর অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়া (জেএসএএ) আয়োজিত ‘পিঠা উৎসব ২০২৬’। 

স্থানীয় সময় শনিবার (১১ জুলাই) সিডনির গ্লেনফিল্ড কমিউনিটি হলে অনুষ্ঠিত এ উৎসবে জামালপুর ও শেরপুর অঞ্চলের প্রবাসীদের পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার বিপুলসংখ্যক প্রবাসী অংশ নেন।

সকালে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পরে শুরু হয় ঐতিহ্যবাহী পিঠা প্রদর্শনী ও পরিবেশন। ভাপা, চিতই, পাটিসাপটা, পুলি, পাকনসহ নানা ধরনের দেশীয় পিঠার সমারোহে উৎসবস্থল প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

আয়োজকদের ভাষ্য, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতি ও খাদ্য ঐতিহ্য তুলে ধরা এবং কমিউনিটির সদস্যদের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সুদৃঢ় করাই এ উৎসবের মূল উদ্দেশ্য।

পিঠা উৎসবের পাশাপাশি পরিচিতি পর্ব, মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মধ্যাহ্নভোজ ও মিষ্টান্ন পরিবেশনের আয়োজন করা হয়। দুপুরে নামাজের বিরতির পর আবার শুরু হয় সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এতে কমিউনিটির শিল্পীরা গান, আবৃত্তি ও নৃত্য পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠান শেষে আগ্রহীদের জন্য বুশ ওয়াকেরও আয়োজন ছিল।

অনুষ্ঠানে জেএসএএর সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, নির্বাহী কমিটির সদস্য, স্বেচ্ছাসেবকসহ বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া কমিউনিটি ভয়েস অব অস্ট্রেলিয়ার লিভারপুল শাখার সাধারণ সম্পাদক এবং জেএসএএর সদস্য সাইয়েদা ইশরাত ফেরদৌসি বলেন, “জামালপুরের সন্তান এবং জেএসএএ পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে এই পিঠা উৎসবে অংশ নিতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। প্রবাসে আমাদের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও পারস্পরিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।”

তিনি আয়োজকদের আন্তরিক আতিথেয়তা, স্বেচ্ছাসেবকদের নিরলস পরিশ্রম এবং প্রবাসে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে তাদের উদ্যোগের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশি ও অস্ট্রেলিয়ান কমিউনিটির মধ্যে বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদারে এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আয়োজকরা জানান, আগামী নভেম্বর মাসে জামালপুর-শেরপুর অ্যাসোসিয়েশন অস্ট্রেলিয়ার বার্ষিক বনভোজন অনুষ্ঠিত হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow