প্রযুক্তির অগ্রগতি স্বাস্থ্যসেবায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া বলেছেন, প্রযুক্তির অগ্রগতি বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যসেবায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে টেলিমেডিসিন ও মোবাইলভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। মঙ্গলবার (৫ মে) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের সেমিনারকক্ষে আয়োজিত ‘Recent Advances in Healthcare Technologies: From Wound Care to Diagnostics’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ভিসি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে উদ্ভাবনী চিন্তা, দক্ষ মানবসম্পদ এবং টেকসই নীতিমালা গ্রহণ জরুরি। এসব ক্ষেত্রে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া গেলে দেশের স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব। সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন তড়িৎ ও কম্পিউটার প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন। এতে রিসোর্স পারসন হিসেবে বক্তব্য দেন ফিলিপ হেলথকেয়ারের স্ট্র্যাটেজিক কী অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার মো. ফরহাদ হোসেন এবং বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং

প্রযুক্তির অগ্রগতি স্বাস্থ্যসেবায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া বলেছেন, প্রযুক্তির অগ্রগতি বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যসেবায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। বিশেষ করে বাংলাদেশের গ্রামীণ ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে টেলিমেডিসিন ও মোবাইলভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

মঙ্গলবার (৫ মে) বেলা ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের সেমিনারকক্ষে আয়োজিত ‘Recent Advances in Healthcare Technologies: From Wound Care to Diagnostics’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ভিসি বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে উদ্ভাবনী চিন্তা, দক্ষ মানবসম্পদ এবং টেকসই নীতিমালা গ্রহণ জরুরি। এসব ক্ষেত্রে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া গেলে দেশের স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন তড়িৎ ও কম্পিউটার প্রকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. কাজী দেলোয়ার হোসেন। এতে রিসোর্স পারসন হিসেবে বক্তব্য দেন ফিলিপ হেলথকেয়ারের স্ট্র্যাটেজিক কী অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার মো. ফরহাদ হোসেন এবং বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক আয়শা বিনতে হুমায়ুন।

বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. নিপু কুমার দাশের সভাপতিত্বে সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন প্রভাষক নুসরাত জাহান ঊষা।

অনুষ্ঠানে বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. সুমিত মজুমদার বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরে একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।

এমআরএএইচ/এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow