প্রশাসন ক্যাডার থেকে প্রেষণে নিরীক্ষায় আসা মনোয়ার একাই তিন পদে
ডিএসসিসিতে প্রেষণে পদায়ন দিচ্ছে না জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নিরীক্ষা কর্মকর্তা পদে পদায়ন প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তার একজন কর্মকর্তা একাধিক পদে অতিরিক্ত দায়িত্বে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রেষণের পদগুলোতে তীব্র জনবল সংকট সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে একজন কর্মকর্তাকে দু-তিনটি বিভাগ বা দপ্তরপ্রধানের অতিরিক্ত দায়িত্ব দিচ্ছে ডিএসসিসি। এতে নাগরিক সেবা কার্যক্রম সামাল দিতে অনেকটাই হিমশিম খাচ্ছে নগর কর্তৃপক্ষ। ডিএসসিসিতে জনবল চাহিদা মেটাতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি ডিএসসিসি ও ডিএনসিসির নিরীক্ষা কর্মকর্তা পদে প্রশাসন ক্যাডারের লোক পদায়ন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। অথচ নিরীক্ষা কর্মকর্তা পদটি বিসিএস অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস ক্যাডারের। ডিএসসিসির নিরীক্ষা কর্মকর্তার নাম মো. মনোয়ার হোসেন (সিনিয়র সহকারী সচিব)। এখন তিনি ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালামের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ও আইন কর্মকর্তা পদেও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসন ক্যাডারের ওই কর্মকর্তা কৌশলে তিনটি পদ বাগিয়ে নিয়েছেন। এখ
- ডিএসসিসিতে প্রেষণে পদায়ন দিচ্ছে না জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
- নিরীক্ষা কর্মকর্তা পদে পদায়ন প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তার
- একজন কর্মকর্তা একাধিক পদে অতিরিক্ত দায়িত্বে
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রেষণের পদগুলোতে তীব্র জনবল সংকট সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে একজন কর্মকর্তাকে দু-তিনটি বিভাগ বা দপ্তরপ্রধানের অতিরিক্ত দায়িত্ব দিচ্ছে ডিএসসিসি। এতে নাগরিক সেবা কার্যক্রম সামাল দিতে অনেকটাই হিমশিম খাচ্ছে নগর কর্তৃপক্ষ।
ডিএসসিসিতে জনবল চাহিদা মেটাতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি ডিএসসিসি ও ডিএনসিসির নিরীক্ষা কর্মকর্তা পদে প্রশাসন ক্যাডারের লোক পদায়ন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। অথচ নিরীক্ষা কর্মকর্তা পদটি বিসিএস অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস ক্যাডারের।
ডিএসসিসির নিরীক্ষা কর্মকর্তার নাম মো. মনোয়ার হোসেন (সিনিয়র সহকারী সচিব)। এখন তিনি ডিএসসিসি প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালামের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) ও আইন কর্মকর্তা পদেও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসন ক্যাডারের ওই কর্মকর্তা কৌশলে তিনটি পদ বাগিয়ে নিয়েছেন। এখন কোনো দায়িত্বই তিনি ঠিকমতো পালন করতে পারছেন না। উল্টো প্রশাসকের পিএস হিসেবে করপোরেশনের অন্য কর্মকর্তাদের ওপর প্রভাব বিস্তারসহ নানান অনিয়মে জড়িয়ে পড়ছেন।
ডিএসসিসির জনবল সংকট
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) আওতাধীন বিভাগ ১৬টি। এর বাইরে ১০টি রয়েছে আঞ্চলিক কার্যালয়। এর মধ্যে করপোরেশনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদ সচিব। এ পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন প্রধান ভান্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা মো. জয়নুল আবেদীন। পরিবহন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার। যদিও তার বিভাগের সঙ্গে পরিবহন বিভাগের কাজ ভিন্ন।
আইন বিভাগের প্রধান হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন করপোরেশনের নিরীক্ষা কর্মকর্তা মো. মনোয়ার হোসেন। হিসাবরক্ষণ বিভাগে প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন করপোরেশনের উপ-প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আলী মনসুর।
নিরীক্ষা বিভাগ পদায়নের পর কৌশলে প্রশাসকের পিএস ও আইন কর্মকর্তার পদটি বাগিয়ে নেন মনোয়ার হোসেন। তিনি এখন একাই তিনটি পদে দায়িত্ব থাকায় নিরীক্ষা বিভাগ ও আইন বিভাগের সেবা কার্যক্রম কার্যত ঝিমিয়ে পড়েছে।—ডিএসসিসির সচিব দপ্তর
এছাড়া ডিএসসিসিতে আঞ্চলিক কার্যালয় ১০টি। প্রতিটি কার্যালয়ের প্রধানের পদ আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা (উপসচিব পদমর্যাদার)। ওই ১০টি অঞ্চলের মধ্যে উপসচিব পদমর্যাদার দুজন কর্মকর্তা ছয়টি অঞ্চলের দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে অঞ্চল-৬ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সুজাউদ্দৌলা। তিনি অঞ্চল-১ ও অঞ্চল-৩ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার পদেও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। অঞ্চল-২ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা আক্তার উননেছা শিউলী। তিনি অঞ্চল-৪ ও ১০ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএসসিসির একটি বিভাগের প্রধান জাগো নিউজকে বলেন, ‘সিটি করপোরেশন একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। শহরের কোটি নাগরিককে ২৪ ঘণ্টা সেবা দেওয়ার দায়িত্ব সংস্থাটির। অথচ ডিএসসিসিতে দীর্ঘদিন ধরে জনবল সংকট। একজন কর্মকর্তা এক বা একাধিক পদে দায়িত্ব পালন করলে, তার কোনোটিতেই ঠিকমতো কাজ হয় না। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে শূন্য বিভাগগুলোতে জনবল নিয়োগ দেওয়া জরুরি।’
জানতে চাইলে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘ডিএসসিসিতে প্রবল জনবল সংকট রয়েছে। প্রেষণের পদগুলোতে মন্ত্রণালয় থেকে কাউকে নিয়োগ দিচ্ছে না। ফলে আমরা নিরুপায় হয়ে একজন ব্যক্তিকে একাধিক বা তারও বেশি দায়িত্ব দিচ্ছি।’
তিনি বলেন, ‘কোনো বিভাগ থেকে প্রেষণে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা বদলি হলে তো তা ফাঁকা রাখা যায় না। তখন এ দায়িত্ব কাউকে না কাউকে দিতে হয়, এজন্য দিয়েছি। তবে জনবল সংকটের এ তথ্য শিগগির আমরা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে জানাবো।’
নিরীক্ষা কর্মকর্তার পদে প্রশাসনের মনোয়ার
ডিএসসিসি সচিবের দপ্তর সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পরপরই করপোরেশনের বিভিন্ন বিভাগে ক্রমেই জনবল সংকট দেখা দেয়। তখন থেকে এক বিভাগের প্রধান অন্য আরও এক-দুটি বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন। তারা কোনোক্রমে নাগরিক সেবা কার্যক্রম চালিয়ে নিচ্ছেন। কিন্তু বিপত্তি ঘটছে করপোরেশনের নিরীক্ষা বিভাগে নিরীক্ষা কর্মকর্তা পদে প্রেষণে পদায়নে। এ পদটি বিসিএস অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস ক্যাডারের জন্য নির্ধারিত।
গত বছরের ১৭ নভেম্বর ডিএসসিসির সাংগঠনিক কাঠামো-২০২৬ অনুযায়ী নিরীক্ষা কর্মকর্তা ও প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা পদে প্রেষণে পদায়নে স্থানীয় সরকার সচিবকে চিঠি দিয়েছিলেন সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম। ওই চিঠিতে বলা হয়, ওই দুটি পদ দীর্ঘদিন ধরে জনবলশূন্য। এতে ডিএসসিসির সার্বিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। তাই বিসিএস (অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস) ক্যাডারের দুজন কর্মকর্তাকে জনস্বার্থে জরুরি ভিত্তিতে প্রেষণে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পদায়নের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে অনুরোধ জানানো হয়।
নিরীক্ষা কর্মকর্তা পদে প্রশাসন ক্যাডার থেকে আসতে পারে, আবার অন্য ক্যাডার থেকেও আসতে পারে। এটি কোনো সমস্যা নয়। সিটি করপোরেশনের ভেতর যেসব পদ শূন্য সেখানে যে কাউকে অতিরিক্ত দায়িত্ব কর্তৃপক্ষ দিতে পারে। এখন আমার দায়িত্বে থাকা তিনটি পদেই সমানভাবে দাপ্তরিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।—মনোয়ার হোসেন
ওই চিঠি দেওয়ার পাঁচ মাস পর গত ২ এপ্রিল নিরীক্ষা কর্মকর্তা পদে বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের মনোয়ার হোসেনকে প্রেষণে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে পদায়ন করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। গত ৬ এপ্রিল পৃথক প্রজ্ঞাপনে তাকে ডিএসসিসিতে পদায়ন করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। আবার একই দিন নিজ দায়িত্বসহ ডিএসসিসি প্রশাসকের একান্ত সচিব (পিএস) পদেও তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে দপ্তর আদেশ জারি করে ডিএসসিসি।
সবশেষ গত ১৪ মে মনোয়ার হোসেনকে ফের নিজ দায়িত্বসহ সংস্থাটির আইন কর্মকর্তা পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে দপ্তর আদেশ জারি করেন ডিএসসিসির সচিব দপ্তর। ফলে এখন তিনি একাই ডিএসসিসির তিনটি পদে দায়িত্বে বহাল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিএসসিসির সচিব দপ্তরের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘নিরীক্ষা বিভাগ পদায়নের পর কৌশলে প্রশাসকের পিএস ও আইন কর্মকর্তার পদটি বাগিয়ে নেন মনোয়ার হোসেন। তিনি এখন একাই তিনটি পদে দায়িত্ব থাকায় নিরীক্ষা বিভাগ ও আইন বিভাগের সেবা কার্যক্রম কার্যত ঝিমিয়ে পড়েছে।’
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, নিরীক্ষা কর্মকর্তার কক্ষ ফাঁকা। তার টেবিলের ওপর বিভিন্ন বিভাগের নথিপত্র স্তূপ হয়ে পড়ে রয়েছে। করপোরেশনের আইন কর্মকর্তার কক্ষও ফাঁকা। ওই কর্মকর্তার টেবিলেও অনেক নথি স্তূপ হয়ে পড়ে থাকতে দেখা গেছে। অন্যদিকে, একই সময়ে প্রশাসক দপ্তরে মনোয়ার হোসেনকে খুব ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা যায়।
ডিএসসিসির সচিব দপ্তর সূত্র জানায়, করপোরেশনে নিরীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় বিসিএস অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টসের কর্মকর্তার দরকার হয়। কারণ, এখানে হিসাব-নিকাশ জানা দক্ষ লোকের প্রয়োজন। কিন্তু ডিএসসিসিতে এবারই প্রথম ওই পদে প্রশাসন বিভাগের কর্মকর্তা নিয়োগ পেয়েছেন। কিন্তু তিনি অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টসের অনেক কিছুই বোঝেন না। ফলে নিরীক্ষা বিভাগের কার্যক্রম অনকটাই অচল হয়ে গেছে। একইভাবে তিনি আইন বিভাগে পর্যাপ্ত সময় না দেওয়ায় করপোরেশনের মামলা কার্যক্রম পরিচালনাও থমকে গেছে।
তবে একা তিনটি চেয়ারে দায়িত্বে থাকলেও তাতে কার্যক্রম পরিচালনায় কোনো সমস্যা হচ্ছে না বলে দাবি করেন মনোয়ার হোসেন।
কেন নিরীক্ষা কর্মকর্তার পদে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাকে পদায়ন বা ন্যস্ত করা হলো, সেটা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বলতে পারবে—রবিউল ইসলাম
এ বিষয়ে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, ‘নিরীক্ষা কর্মকর্তা পদে প্রশাসন ক্যাডার থেকে আসতে পারে, আবার অন্য ক্যাডার থেকেও আসতে পারে। এটি কোনো সমস্যা নয়। সিটি করপোরেশনের ভেতর যেসব পদ শূন্য সেখানে যে কাউকে অতিরিক্ত দায়িত্ব কর্তৃপক্ষ দিতে পারে। এখন আমার দায়িত্বে থাকা তিনটি পদেই সমানভাবে দাপ্তরিক কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।’
তবে কৌশল করে নিরীক্ষা কর্মকর্তা পদে পদায়ন ও করপোরেশনে প্রভাব বিস্তার করার অভিযোগ ‘মিথ্যা’ বলে দাবি করেন মনোয়ার হোসেন।
নিরীক্ষা কর্মকর্তা পদে বিসিএস (অডিট অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস) ক্যাডার চেয়ে ডিএসসিসি আবেদন করার পরও কেন প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাকে পদায়ন করা হলো—এমন প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার বিভাগের (সিটি করপোরেশন-১) উপসচিব রবিউল ইসলাম জাগো নিউজকে বলেন, ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ডিএসসিসির নিরীক্ষা কর্মকর্তা পদে মনোয়ার হোসেনকে পদায়ন করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করে। সে অনুযায়ী পৃথক আরেক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ডিএসসিসির ওই পদে পদায়ন করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।’
‘কিন্তু কেন নিরীক্ষা কর্মকর্তার পদে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাকে পদায়ন বা ন্যস্ত করা হলো, সেটা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বলতে পারবে’—যোগ করেন তিনি।
মনোয়ার হোসেনকে পদায়নের প্রজ্ঞাপনে সই করেছিলেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ইসমাইল হোসেন। এ বিষয়ে জানতে তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
এমএমএ/এমকআর/এমএফএ
What's Your Reaction?


