প্রশাসন, বিচার, শিক্ষকতা খেলাধুলাসহ নানা শাখায় মধুপুরের গারোদের সাফল্য

‘আদিবাসী জীবন ও ঐতিহ্যগত জ্ঞান সুরক্ষায় এগিয়ে আসুন’ এই আহ্বানকে সামনে রেখে আজ রোববার (০৯ আগস্ট) পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস। অধিকার, ভূমি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার দাবিতে সারাবিশ্বে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করছেন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মানুষ। বাংলাদেশের সংবিধানে ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী, উপজাতি বা সম্প্রদায়’ হিসেবে স্বীকৃতি থাকলেও ‘আদিবাসী’ শব্দের সাংবিধানিক স্বীকৃতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভিন্নমত রয়েছে। রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির পাশাপাশি ভূমির অধিকার, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণসহ নানা দাবি নিয়ে অন্য সবার মতো আন্দোলন করে আসছেন মধুপুরের বনাঞ্চলে বসবাসকারী গারো জনগোষ্ঠীর মানুষ। তবে দাবি-দাওয়া ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনের পাশাপাশি শিক্ষা, প্রশাসন, বিচার, শিক্ষকতা, ধর্মীয় নেতৃত্ব, উন্নয়নকর্ম এবং খেলাধুলায়ও নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন মধুপুরের গারোরা। তাদের মধ্য থেকে উঠে এসেছেন দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পথ দেখানো অনেক সফল মানুষ। আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে মধুপুরের এমন কয়েকজন সফল গারোর গল্প তুলে ধরা হলো। প্রশাসনে প্রথম উপসচিব হেমন্ত কুবি মধুপুরের বনাঞ্চলের গারো পরিবারে

প্রশাসন, বিচার, শিক্ষকতা খেলাধুলাসহ নানা শাখায় মধুপুরের গারোদের সাফল্য

‘আদিবাসী জীবন ও ঐতিহ্যগত জ্ঞান সুরক্ষায় এগিয়ে আসুন’ এই আহ্বানকে সামনে রেখে আজ রোববার (০৯ আগস্ট) পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস। অধিকার, ভূমি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার দাবিতে সারাবিশ্বে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করছেন আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মানুষ।

বাংলাদেশের সংবিধানে ‘ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী, উপজাতি বা সম্প্রদায়’ হিসেবে স্বীকৃতি থাকলেও ‘আদিবাসী’ শব্দের সাংবিধানিক স্বীকৃতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভিন্নমত রয়েছে। রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির পাশাপাশি ভূমির অধিকার, নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণসহ নানা দাবি নিয়ে অন্য সবার মতো আন্দোলন করে আসছেন মধুপুরের বনাঞ্চলে বসবাসকারী গারো জনগোষ্ঠীর মানুষ।

তবে দাবি-দাওয়া ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনের পাশাপাশি শিক্ষা, প্রশাসন, বিচার, শিক্ষকতা, ধর্মীয় নেতৃত্ব, উন্নয়নকর্ম এবং খেলাধুলায়ও নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন মধুপুরের গারোরা। তাদের মধ্য থেকে উঠে এসেছেন দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে পথ দেখানো অনেক সফল মানুষ। আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে মধুপুরের এমন কয়েকজন সফল গারোর গল্প তুলে ধরা হলো।

প্রশাসনে প্রথম উপসচিব হেমন্ত কুবি

মধুপুরের বনাঞ্চলের গারো পরিবারের সন্তান হেমন্ত হেনরী কুবি বর্তমানে পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের উন্নয়ন শাখা-২-এ উপসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়েও দায়িত্ব পালন করেছেন।
মধুপুরের শোলাকুড়ি ইউনিয়নের বনাঞ্চল জালাবাদা গ্রামের লরেন্স নকরেক ও কানন কুবি দম্পতির সন্তান হেমন্ত কুবি। ২৪তম বিসিএসের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়া এই কর্মকর্তা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করে মধুপুরের গারোদের জন্য অনুপ্রেরণার দৃষ্টান্ত তৈরি করেছেন।

বিচারাঙ্গনে লিটুস লরেন্স চিরান

মধুপুরের গারো পরিবারের আরেক কৃতী সন্তান লিটুস লরেন্স চিরান। তিনি ঢাকার জেলা প্রশাসনে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অরণখোলা ইউনিয়নের জলছত্র গ্রামের শশাঙ্ক দ্রং ও তপতি চিরানের ছেলে লিটুস লরেন্স চিরানের এই সাফল্য মধুপুরের গারো জনগোষ্ঠীর জন্য গর্বের। জেলা প্রশাসনের বিচার বিভাগের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় তাঁর অবস্থান নতুন প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে আছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে গারোদের পথ দেখিয়েছেন জেসি ডেইজি 

মধুপুরের গারো সমাজের সবচেয়ে আলোচিত সাফল্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক জেসি ডেইজি মারাক। দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে গারোদের মধ্যে প্রথম শিক্ষক হিসেবে তার নামটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

মধুপুর উপজেলার বনাঞ্চল ভুটিয়া গ্রামের মধুনাথ সাংমার মেয়ে জেসি ডেইজি মারাক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন অর্ধ যুগ আগে। ৩৩তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে চাকরির সুযোগ পেয়েও তিনি সেই সুযোগ গ্রহণ করেননি। শিক্ষকতার প্রতি নিজের আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবেই থেকে যান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর করা এবং স্প্যানিশ ও জার্মান ভাষা শেখা জেসি বর্তমানে জার্মানিতে পিএইচডি গবেষণায় নিয়োজিত। স্বামী অনিত্য মানখিন ও দুই মেয়েকে নিয়ে প্রায় দেড় বছর ধরে জার্মানিতে অবস্থান করছেন তিনি।

মধুপুরের গারো নারী সংগঠন আচিক-মিচিক সোসাইটির নির্বাহী পরিচালক সুলেখা ম্রং বলেন, ‘প্রশাসনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গারোদের অনেকেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে জেসির আগে গারোদের কাউকে পাওয়া যায়নি। তার মতে, জেসি শুধু গারো সমাজ নয়, নারী সমাজেরও অহংকার।’
জেসির বাবা মধুনাথ সাংমাও মেয়ের সাফল্যে গর্বিত।

ধর্মীয় নেতৃত্বে বিশপ পল পনেন কুবি

মধুপুরের বনাঞ্চলের গারোদের মধ্য থেকে ধর্মীয় নেতৃত্বেও উঠে এসেছে গুরুত্বপূর্ণ নাম। পল পনেন কুবি বর্তমানে ময়মনসিংহ ধর্ম প্রদেশের খ্রিষ্টীয় ধর্মের প্রধান যাজক বিশপ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মধুপুরের বনাঞ্চলের জালাবাদা গ্রামের সন্তান পল পনেন কুবি মধুপুর রাণী ভবানী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৯৭৬ সালের এসএসসি ব্যাচের শিক্ষার্থী। দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি গারো সমাজের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধিতে পরিণত হয়েছেন।

১৩৮ বছরের বারে প্রথম গারো আইনজীবী জন জেত্রা

মধুপুরের গারো ইতিহাসে আরেকটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন অ্যাডভোকেট জন জেত্রা। তিনি শুধু মধুপুরের গারোদের মধ্যে প্রথম আইনজীবী নন, টাঙ্গাইল জেলা অ্যাডভোকেট বার সমিতির ইতিহাসেও প্রথম গারো আইনজীবী। প্রায় ১৩৮ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত টাঙ্গাইল জেলা বারে তার আগে গারো জনগোষ্ঠীর কেউ আইনজীবী হিসেবে যোগ দেননি। ২০২৩ সালের ২২ নভেম্বর তিনি  বারে যোগ দেন।

১৯৯০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মধুপুর গড় এলাকার ভুটিয়া গ্রামে জন্ম নেওয়া জন জেত্রার বাবা জর্নেশ নকরেক ও মা মির্জনী জেত্রা। ময়মনসিংহ ল' কলেজ থেকে এলএলবি পাস করে ২০২৩ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিল থেকে আইনজীবী হিসেবে সনদ লাভ করেন। 

ছাত্রজীবন থেকেই গারোদের অধিকার আদায়ের বিভিন্ন আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন জন জেত্রা। মধুপুরে ইকোপার্কবিরোধী আন্দোলন, গারোদের জমিতে বন বিভাগের লেক খননের প্রতিবাদসহ বিভিন্ন আন্দোলন- সংগ্রামে তাঁর অংশগ্রহণ ছিল।
বর্তমানে তিনি মধুপুরের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান সংগঠন জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক।

টাঙ্গাইল বারের এ পর্যন্ত  ৮৩০ আইনজীবীর ওকালতনামার তালিকায় তার সিরিয়াল ৭৯৪। জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম-সমর্থিত প্যানেল থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ৩৭৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন জনজেত্রা । টাঙ্গাইল বারের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নির্বাচিত ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধি হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস উপলক্ষে অ্যাডভোকেট জন জেত্রা কালবেলাকে বলেন, ‘মধুপুরের আদিবাসীদের স্বত্বদখলীয় ও প্রথাগত ভূমির রাষ্ট্রীয়ভাবে বন্দোবস্ত, আদিবাসীদের জন্য পৃথক মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা এবং আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকায় কলেজ প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।’ একই সঙ্গে বন বিভাগ কর্তৃক আদিবাসীদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা বন মামলা প্রত্যাহারের দাবিও জানান তিনি।

কারিতাসে গারোরা

কারিতাসের উন্নয়ন কাজে অপূর্ব রাফায়েল ম্রং ও থিউফিল নকরেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন।
মধুপুরের গারো সমাজের পরিচিত মুখ তারা। বনের গাছাবাড়ী গ্রামের অপূর্ব ম্রং গারো নেতা অজয় এ মৃ'র ছেলে। থিউফিল নকরেক গায়রা গ্রামের সনেন্দ্র চিরানের ছেলে ও গারো নেতা ইউজিন নকরেকের অনুজ সহোদর। কারিতাসের উন্নয়ন সংগঠনের সাথে তারা জড়িত। সিডিআই পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন থিউফিল। চাকরির পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা চালিয়ে গিয়ে এমফিল ডিগ্রি অর্জন করেছেন তিনি। 

অপূর্ব রাফায়েল ম্রং কারিতাসের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা।  উন্নয়ন কাজে তাদের নেতৃত্ব ও ভূমিকা গারো সমাজের তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণার।

জাতীয়ভাবে কারাতে চ্যাম্পিয়ন নাম্বিয়া লুইজি নকরেক

শিক্ষা, চাকরি ও পেশাগত সাফল্যের পাশাপাশি খেলাধুলাতেও মধুপুরের গারোদের রয়েছে উজ্জ্বল উপস্থিতি। সেই তালিকায় নতুন করে আলোচনায় এসেছে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী কিশোরী নাম্বিয়া লুইজি নকরেকের নাম। নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে অংশ নিয়ে কারাতে প্রতিযোগিতায় উপজেলা, জেলা ও ঢাকা বিভাগীয় শেষে জাতীয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মধুপুরের বনাঞ্চলের এই গারো কন্যা। জয়নাগাছাসহ বনাঞ্চলের গারো পল্লীগুলোতে তার সাফল্যে আনন্দের জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

কৃষক মিন্টু দিব্রা ও শুকলা নকরেক দম্পতির ছোট মেয়ে নাম্বিয়া। গ্রামের পরিবেশে বেড়ে উঠেও নিজের নিষ্ঠা ও নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে সে।

নাম্বিয়ার স্বপ্ন শুধু দেশের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নয়। ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অংশ নিয়ে দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনতে চায় এই গারো কন্যা। মেয়ের এমন সাফল্যে আনন্দিত মা শুকলা নকরেকও।

সাফল্যের এই গল্পগুলোই নতুন প্রজন্মের শক্তি

মধুপুরের বনাঞ্চলের গারো জনগোষ্ঠীর ইতিহাস শুধু অধিকার আদায়ের সংগ্রামের ইতিহাস নয়; এটি ঘুরে দাঁড়ানোর, এগিয়ে যাওয়ার এবং নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণেরও ইতিহাস।

প্রশাসনের উপসচিব হেমন্ত কুবি থেকে বিচার বিভাগের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রট লিটুস লরেন্স চিরান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষক জেসি ডেইজি মারাক, ধর্মীয় নেতৃত্বে বিশপ পল পনেন কুবি, টাঙ্গাইল বারের প্রথম গারো আইনজীবী ও নির্বাচিত প্রতিনিধি জন জেত্রা, উন্নয়নকর্মী থিউফিল নকরেক ও অপূর্ব ম্রং কিংবা কারাতে চ্যাম্পিয়ন নাম্বিয়া লুইজি নকরেক—প্রত্যেকের সাফল্যের গল্পের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মধুপুরের বনাঞ্চলের মাটি ও মানুষের গল্প।

জয়েনশাহী আদিবাসী উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি ইউজিন নকরেক বলেন, ‘গারোদের মধ্য থেকে প্রশাসনের বিভিন্ন ক্যাডারে যুক্ত হওয়া মানুষ, স্বাস্থ্য বিভাগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ বিভিন্ন পেশায় প্রতিষ্ঠিতদের নিয়ে তারা গর্বিত।’

আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে তাই মধুপুরের গারোদের দাবি যেমন উচ্চারিত হচ্ছে ভূমি, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও অধিকার রক্ষার জন্য, তেমনি তাদের সফল সন্তানদের গল্পও বলছে—সুযোগ ও সহায়তা পেলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সন্তানরাও রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে পারে।

এই সাফল্যের ধারাই আগামী প্রজন্মের গারো তরুণ-তরুণীদের জন্য হয়ে উঠুক আরও এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা, আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে  মধুপুরের লাল মাটির গারোদের এটাই প্রত্যাশা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow