প্রাণীর কোনো ভাস্কর্যকে ইসলাম সমর্থন করে না: হারুন ইজহার

‘প্রাণীর কোনো ভাস্কর্যকে ইসলাম সমর্থন করে না’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশি দেওবন্দি আলেম, লেখক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মুফতি হারুন ইজহার। এ বিষয়ে ১২ আগস্ট সকাল ৯টা ১৪ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেন তিনি। মুফতি হারুন ইজহার লিখেছেন, ‌‘মূর্তির বাংলাদেশ গড়েছিল আওয়ামী লীগ। তাদের সাথে আমাদের লড়াইটা যতটা রাজনৈতিক ছিল; তারচেয়ে বেশি ছিল আদর্শিক এবং সংস্কৃতিক। সেই সাংস্কৃতিক ও পৌত্তলিকতার দুর্গন্ধ এখনো বহাল আছে। আরও পড়ুন আয়নাঘর বের করতে ২ বছর লাগলো কেন? জবাবে যা বললেন তাজুল ইসলাম জুলাই বিপ্লবের পর মুজিবের মূর্তি অপসারিত হয়েছিল রাজনৈতিক চেতনায়, সাংস্কৃতিক ও আদর্শিক প্রতিক্রিয়া থেকে নয়। গলদ এখানেই, গলদ গোড়াতেই। রাজনীতিতে এক মূর্তি যায়, আরেক মূর্তি আসে। মূর্তির সংস্কৃতি থেকেই যায়। আমাদের সংগ্রামের চরিত্রে রাজনীতির চেয়ে সংস্কৃতি ও আদর্শিক দিকটা মূল। মূর্তির সংস্কৃতিকে আমরা মানি না। প্রাণীর কোনো ভাস্কর্যকে ইসলাম সমর্থন করে না। আরও পড়ুন ‘সেই পুরোনো অভ্যাস! ছাত্রদল আমাদের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের মামলা দিয়েছে’ জুলাই বিপ্লবের পরে এক ধরনের কিউট ইসলামকে মূলধারা বানানোর চেষ্ট

প্রাণীর কোনো ভাস্কর্যকে ইসলাম সমর্থন করে না: হারুন ইজহার

‘প্রাণীর কোনো ভাস্কর্যকে ইসলাম সমর্থন করে না’ বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশি দেওবন্দি আলেম, লেখক ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব মুফতি হারুন ইজহার। এ বিষয়ে ১২ আগস্ট সকাল ৯টা ১৪ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে একটি পোস্ট করেন তিনি।

মুফতি হারুন ইজহার লিখেছেন, ‌‘মূর্তির বাংলাদেশ গড়েছিল আওয়ামী লীগ। তাদের সাথে আমাদের লড়াইটা যতটা রাজনৈতিক ছিল; তারচেয়ে বেশি ছিল আদর্শিক এবং সংস্কৃতিক। সেই সাংস্কৃতিক ও পৌত্তলিকতার দুর্গন্ধ এখনো বহাল আছে।

জুলাই বিপ্লবের পর মুজিবের মূর্তি অপসারিত হয়েছিল রাজনৈতিক চেতনায়, সাংস্কৃতিক ও আদর্শিক প্রতিক্রিয়া থেকে নয়। গলদ এখানেই, গলদ গোড়াতেই।

রাজনীতিতে এক মূর্তি যায়, আরেক মূর্তি আসে। মূর্তির সংস্কৃতি থেকেই যায়। আমাদের সংগ্রামের চরিত্রে রাজনীতির চেয়ে সংস্কৃতি ও আদর্শিক দিকটা মূল। মূর্তির সংস্কৃতিকে আমরা মানি না। প্রাণীর কোনো ভাস্কর্যকে ইসলাম সমর্থন করে না।

জুলাই বিপ্লবের পরে এক ধরনের কিউট ইসলামকে মূলধারা বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। কিউট ইসলাম একটা পশ্চিমা প্রকল্প। তথাকথিত ভণ্ড মডারেট প্রকল্প। চাতুর্যের সাথে হারামকে হালাল বানানোর এজেন্ডা।

শাপলার শহীদদের পবিত্র স্মৃতি বিজড়িত সাংস্কৃতিক প্রদর্শনীতে সব রকমের পৌত্তলিক ভাস্কর্য অপসারণ করতে হবে। হেফাজতের অবস্থান জানানোর পরেও কর্তৃপক্ষের কোনো পদক্ষেপ দৃশ্যমান নয়। অনতিবিলম্বে আমাদের কলঙ্কমুক্ত করুন!’

এসইউ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow