প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতির ভিডিও ভাইরাল

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পক্ষিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি বশির মৃধার একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা শুরু হয়। তবে এর আগেও ২০২৩ সালে বশির মৃধার বিরুদ্ধে ওই এলাকার এক গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামীর দায়েরকৃত একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।  এ বিষয়ে মৃধার সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি কালবেলাকে বলেন, মেসেঞ্জারে একটি আইডি থেকে মঙ্গলবার একজন আমার কাছে ফোন দিয়ে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেছে। ওই আইডি থেকে তাকে বলা হয়েছে তার একটি আপত্তিকর ভিডিও রয়েছে।   টাকা না দিলে ভিডিওটি ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি পেয়েছেন। তবে ভিডিওটি কার সেটা আমি দেখিনি বা ভিডিও সম্পর্কেও আমি কিছু জানিও না। এছাড়া এআই ভিডিও বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পক্ষিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি খাদিজা আক্তার শারমিন বলেন, শুনেছি বশির মৃধার একটি অসামাজিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হবে। যদি ভিডিওটি তার হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই ত

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতির ভিডিও ভাইরাল

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পক্ষিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সহ-সভাপতি বশির মৃধার একটি আপত্তিকর ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) সন্ধ্যায় ভিডিওটি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা শুরু হয়।

তবে এর আগেও ২০২৩ সালে বশির মৃধার বিরুদ্ধে ওই এলাকার এক গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামীর দায়েরকৃত একটি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। 

এ বিষয়ে মৃধার সঙ্গে মোবাইল ফোনে কথা হলে তিনি কালবেলাকে বলেন, মেসেঞ্জারে একটি আইডি থেকে মঙ্গলবার একজন আমার কাছে ফোন দিয়ে ২০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেছে। ওই আইডি থেকে তাকে বলা হয়েছে তার একটি আপত্তিকর ভিডিও রয়েছে।  

টাকা না দিলে ভিডিওটি ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি পেয়েছেন। তবে ভিডিওটি কার সেটা আমি দেখিনি বা ভিডিও সম্পর্কেও আমি কিছু জানিও না। এছাড়া এআই ভিডিও বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

পক্ষিয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি খাদিজা আক্তার শারমিন বলেন, শুনেছি বশির মৃধার একটি অসামাজিক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। বিষয়টি তদন্ত করা হবে। যদি ভিডিওটি তার হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কলাপাড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাহিদা বেগম বলেন, এ ধরনের কোনো ব্যক্তি ম্যানেজিং কমিটিতে থাকতে পারে না। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow