প্রাথমিকে ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর
প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় চলমান শিক্ষক সংকট নিরসনে বড় ধরনের নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে সিলেটের জালালাবাদ গ্যাস মিলনায়তনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, খুব শিগগিরই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা ৩২ হাজার ৫০০টি প্রধান শিক্ষক পদের মামলা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে।
নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সময় লাগলেও, এ সময়ে পাঠদান স্বাভাবিক রাখতে অবসরপ্রাপ্ত দক্ষ শিক্ষকদের নিয়ে একটি ‘শিক্ষক পুল’ গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। এই পুল থেকে অভিজ্ঞ শিক্ষকদের খণ্ডকালীনভাবে সংকটপূর্ণ বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, এতে একদিকে অভিজ্ঞতার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ক্ষতি কমবে।
তিনি আরও জানান, পাবলিক পরীক্ষার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান ব্যাহত হওয়ার সমস্যা কমাতে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে আধুনিক ‘মাল্টিপারপাস প
প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থায় চলমান শিক্ষক সংকট নিরসনে বড় ধরনের নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
বুধবার (১৫ এপ্রিল) সকালে সিলেটের জালালাবাদ গ্যাস মিলনায়তনে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, খুব শিগগিরই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা ৩২ হাজার ৫০০টি প্রধান শিক্ষক পদের মামলা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে।
নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে সময় লাগলেও, এ সময়ে পাঠদান স্বাভাবিক রাখতে অবসরপ্রাপ্ত দক্ষ শিক্ষকদের নিয়ে একটি ‘শিক্ষক পুল’ গঠনের পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। এই পুল থেকে অভিজ্ঞ শিক্ষকদের খণ্ডকালীনভাবে সংকটপূর্ণ বিদ্যালয়ে নিয়োগ দেওয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, এতে একদিকে অভিজ্ঞতার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ক্ষতি কমবে।
তিনি আরও জানান, পাবলিক পরীক্ষার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান ব্যাহত হওয়ার সমস্যা কমাতে প্রতিটি উপজেলায় একটি করে আধুনিক ‘মাল্টিপারপাস পরীক্ষা কেন্দ্র’ নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষার মানোন্নয়নে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যদের নিজ এলাকার স্কুলগুলো অনলাইনে পর্যবেক্ষণের সুযোগ রাখা হয়েছে।
সরকারের লক্ষ্য শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করা এবং শুধু অবকাঠামো নয়— শিক্ষার আধুনিকায়ন ও নৈতিক মানোন্নয়ন নিশ্চিত করাও সরকারের অগ্রাধিকার বলে জানান তিনি।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন— আরিফুল হক চৌধুরী, সংসদ সদস্য এমরান আহমেদ চৌধুরীসহ শিক্ষা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।